বিজয়-নাসিরের তাণ্ডবে ৩৮৮ রান তুলেও রেকর্ড অধরা
৫০ ওভারে সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৩৮৮ রান। এনামুল হক বিজয় ও নাসির হোসেনের তাণ্ডবে রানের এই পাহাড় গড়েও রেকর্ড করা হলো না প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের। বাংলাদেশের লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর থেকে মাত্র ৫ রান দূরে থামল তারা।
রোববার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে সাভারের বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে প্রাইম ব্যাংক। প্রতিপক্ষ শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের বোলারদের কচুকাটা করেন তাদের ব্যাটাররা। তাতে প্রায় চারশ ছোঁয়া পুঁজি পেয়েছে দলটি।
২০১৮ সালের মার্চে বিকেএসপিতে প্রাইম দোলেশ্বরের বিপক্ষে সুপার লিগের ম্যাচে আবাহনী লিমিটেড তুলেছিল ৪ উইকেটে ৩৯৩ রান। শুধু প্রিমিয়ার লিগ নয়, বাংলাদেশের মাটিতে যে কোনো লিস্ট 'এ' ম্যাচে যা সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর।
প্রাইম ব্যাংকের আগ্রাসনে নেতৃত্ব দেন ওপেনার ও উইকেটরক্ষক-ব্যাটার বিজয়। ১৪২ বলে ১৮ চার ও ৮ ছক্কায় ১৮৪ রানের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস খেলেন তিনি। শেষদিকে নাসির হোসেন বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে অপরাজিত থাকেন ৬১ রানে। প্রায় দুইশ স্ট্রাইক রেটে ৩২ বল মোকাবিলায় তিনি মারেন ৩ চার ও ৫ ছক্কা। এই দুই ক্রিকেটারই আছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলে ফেরার লড়াইয়ে। আর চলমান আসরে চওড়া হাসি হাসছে দুজনেরই ব্যাট।
এখন পর্যন্ত খেলা পাঁচ ম্যাচে দুটি করে সেঞ্চুরি ও হাফসেঞ্চুরিতে অতিমানবীয় ৯১.৪ গড়ে বিজয়ের মোট রান ৪৫৭। সমান ম্যাচে একটি করে সেঞ্চুরি ও হাফসেঞ্চুরিতে নাসিরের সংগ্রহ ৮৪ গড়ে মোট ২৫২ রান।
রানের দেখা পান প্রাইম ব্যাংকের অন্য ব্যাটাররাও। আরেক ওপেনার শাহাদাত হোসেন দিপু ৪৭ বলে ৪৭ রান করেন। বিজয়ের সঙ্গে তার উদ্বোধনী জুটিতে ওঠে ১৬২ রান। ভারতের অভিমন্যু ঈশ্বরনের ব্যাট থেকে আসে ৪৩ বলে ৩০ রান। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ৩৮ রান করেন ২৬ বলে।
কঠিন সময় পার করা শাইনপুকুরের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে খরুচে ছিলেন আসাদুজ্জামান পায়েল। বিজয় ও মিঠুনকে সাজঘরে ফেরাতে পারলেও ১০ ওভারে এই পেসার দেন ৮৮ রান। জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজাও নেন ২ উইকেট। তবে সতীর্থদের ব্যর্থতার দিনে তিনি ছিলেন বেশ আঁটসাঁট। তার ৮ ওভার থেকে আসে ৪১ রান।