মাকসুদের চোটে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পাকিস্তান দলে মালিক

স্পোর্টস ডেস্ক

পাকিস্তানের হয়ে সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার রেকর্ড তার দখলে। চলমান জাতীয় টি-টোয়েন্টি কাপেও তার ব্যাট থেকে বেরোচ্ছে রানের ফোয়ারা। তারপরও নির্বাচকদের মন গলাতে পারছিলেন না শোয়েব মালিক। অবশেষে কপাল খুলেছে এই তারকা অলরাউন্ডারের। শোয়েব মাকসুদ চোটে পড়ায় পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে জায়গা পেয়েছেন মালিক।

শনিবার এক বিবৃতিতে ৩৪ বছর বয়সী মাকসুদের ছিটকে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। গত ৬ অক্টোবর জাতীয় টি-টোয়েন্টি কাপের ম্যাচে পিঠের নিচের দিকে চোট পান তিনি। এরপর থেকে বিশ্রামে ছিলেন তিনি। কিন্তু পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় আশানুরূপ উন্নতি হওয়ায় তার বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে।

বয়স ৪০ ছুঁইছুঁই মালিকের দলে অন্তর্ভুক্তি চমক হয়ে এসেছে কারণ রিজার্ভ খেলোয়াড়দের তালিকায় ছিল না তার নাম। পাকিস্তানের জার্সিতে শেষবার তিনি টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমেছিলেন গত বছর সেপ্টেম্বরে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওই ম্যাচে ব্যাটিং-বোলিং কোনোটিরই সুযোগ মেলেনি তার।

পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচক মোহাম্মদ ওয়াসিম মাকসুদের চোট ও মালিককে দলে ডাকা প্রসঙ্গে বলেছেন, 'টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ায় শোয়েব (মাকসুদ) মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে। সে আসন্ন প্রতিযোগিতাটির জন্য কঠোর পরিশ্রম করছিল এবং দারুণ ফর্মে ছিল। আমার তার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করছি। কিন্তু চোট খেলাধুলার অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমি নিশ্চিত যে, পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যতের সূচিগুলোতে অংশ নেওয়ার জন্য সে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবে।'

'টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলোচনার পর আমরা তার জায়গায় শোয়েব মালিককে দলে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি নিশ্চিত যে, শোয়েবের (মালিক) অভিজ্ঞতা পুরো দলের জন্য কাজে লাগবে।'

জাতীয় টি-টোয়েন্টি কাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় ছয়ে আছেন মালিক। সেন্ট্রাল পাঞ্জাবের হয়ে সাত ম্যাচের ছয় ইনিংসে ৭৫.০০ গড়ে তিনি করেছেন ২২৫ রান। তার স্ট্রাইক রেট ১৪৯.০০। তিনি হাফসেঞ্চুরি করেছেন একটি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১৫ সদস্যের পাকিস্তান স্কোয়াড:

বাবর আজম (অধিনায়ক), শাদাব খান, আসিফ আলী, ফখর জামান, হায়দার আলী, হারিস রউফ, হাসান আলী, ইমাদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ হাফিজ, মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ রিজওয়ান, মোহাম্মদ ওয়াসিম, সরফরাজ আহমেদ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, শোয়েব মালিক।

রিজার্ভ:

খুশদিল শাহ, শাহনওয়াজ দাহানি, উসমান কাদির।