মুম্বাইয়ের মুঠো থেকে জয় ছিনিয়ে নিল দিল্লি
১৭৮ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে অর্ধেক পথে দিল্লি ক্যাপিটালসের দলীয় ৭২ রানেই প্রথম সারির পাঁচ উইকেট তুলে নেয় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তখন মনে হয়েছিল তাদের জয় যেন সময়ের ব্যাপার। তখনও জাসপ্রিত বুমরাহর মতো বোলারদের ওভার বাকি ছিল ৩টি। কিন্তু এরপর সব সমীকরণ বদলে দিলেন অক্ষর প্যাটেল ও ললিত যাদব। শেষ দিকের ঝড়ে উল্টো জয় ছিনিয়ে নিল দিল্লিই।
রোববার মুম্বাইয়ের বেবোর্ন স্টেডিয়ামে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৭ রান করে মুম্বাই। জবাবে ১০ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছায় দিল্লি।
এদিন নিজেদের সেরা একাদশই গড়তে পারেনি দিল্লি। ইনজুরিতে আনরিক নরকিয়া। জাতীয় দলের হয়ে খেলতে মিচেল মার্শ আছেন পাকিস্তানে। কোয়ারেন্টিনে দুই পেসার মোস্তাফিজুর রহমান ও লু্ঙ্গি এনগিডি। তাই মাত্র দুই জন বিদেশি খেলোয়াড় নিয়ে খেলতে নামতে বাধ্য হয় দিল্লি। শেষ পর্যন্ত তারাই জিতে নিল ম্যাচটি।
মূলত আট নম্বর ব্যাটার অক্ষরের ব্যাটে এমন অসাধারণ জয় পায় দিল্লি। শেষ দিকে বেদম পিটুনি দেন তিনি। তার সঙ্গে একই রূপে নামেন ললিতও। ঝড় তুলে সহজ জয়ই নিশ্চিত করেন তারা।
লক্ষ্য তাড়ায় টিম সেইফার্টকে নিয়ে ৩০ রানের জুটি গড়েন পৃথ্বী শ। কিন্তু এ জুটি ভাঙতে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দিল্লি। দলীয় ১০৪ রানেই লেজ বেরিয়ে আসে দলটির। নামেন অক্ষর। শুরু থেকেই ঝড় তুলতে থাকেন। তার সঙ্গে যোগ দেন ২৫ বলে ১৭ রান করা ললিতও যোগ দেন পার্টিতে। মাত্র ৩০ বলে করেন ৭৫ রানের জুটি।
শেষ পর্যন্ত ১৭ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন অক্ষর। ২টি চার ও ৩টি ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান তিনি। ৩৮ বলে ৪৮ রানের ইনিংস খেলেন ললিত। ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। ২৪ বলে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩৮ রান করেন পৃথ্বী। ১১ বলে ৪টি চারের সাহায্যে ২২ রানের ইনিংস খেলেন শার্দুল ঠাকুর। ১৪ বলে ২১ রান করেন সেইফার্ট।
এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৬৭ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন রোহিত শর্মা ও ইশান কিষান। এরপর ছোট ছোট জুটিতেই এগিয়ে যায় মুম্বাই। তাতেই লড়াইয়ের পুঁজি মিলে যায় দলটির।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮১ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন ইসান। ৪৮ বলে ১১টি চার ও ২টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। ৩২ বলে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় ৪১ রান করেন রোহিত। এছাড়া তিলাক ভার্মা করেন ২২ রান। দিল্লির পক্ষে ১৮ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট পান কুলদিপ যাদব। ২টি শিকার খলিল আহমেদের।