রানার তোপে জিতল রূপগঞ্জ
জয়ের জন্য শাইনপুকুরের ২৪ বলে চাই ২৯ রান। হাতে আর উইকেট। সবচেয়ে বড় কথা উইকেটে সেট দুই ব্যাটার রাকিন আহমেদ ও আলাউদ্দিন বাবু। তার উপর মেহেদী হাসান রানার করা পরের ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা। ২৩ বলে ২৩ রান করলেই জয়। সেখান থেকে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে সে ওভারেই দুই সেট ব্যাটারকেই ফিরিয়ে দেন রানা। পরে নেন আরও একটি উইকেট। তাতে দারুণ এক জয় পেয়ে যায় লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ।
শনিবার সাভারের বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের ম্যাচে শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবকে ৯ রানে হারিয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২১৫ রান করে তারা। জবাবে ৬ বল বাকি থাকতে ২০৬ রানে গুটিয়ে যায় শাইনপুকুর।
মূলত রানার বোলিং তোপেই জয় পায় রূপগঞ্জ। প্রথম স্পেলে তেমন একটা সুবিধা করতে না পারলেও দ্বিতীয় স্পেলে বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন তিনি। দুই ওভারে দুটি ছক্কা হজম করলেও তুলে নেন তিনটি উইকেট। তাতেই লেজ গুটিয়ে যায় শাইনপুকুরের। ২৯ রানের খরচায় ৪টি উইকেট পান রানা। ২টি শিকার নাঈম ইসলামের।
অথচ লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ১ উইকেটে ৯৯ রান তুলেছিল দলটি। রাকিনের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৭০ রানের জুটি গড়ে আউট হন অভিষেক মিত্রা। ৮৩ বলে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় ৫৭ রানের ইনিংস খেলেন এ ওপেনার। তবে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯২ বলে ৫টি চারের সাহায্যে ৬৭ রান করেন রাকিন। আলাউদ্দিনের ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বেশ ধীর গতিতে এগিয়ে যেতে থাকে রূপগঞ্জ। প্রায় ১৫ ওভার ব্যাট করে ৪৭ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন তানজিদ হাসান তামিম ও রাকিবুল হাসান নয়ন। এরপর ১২ রানের ব্যবধানে ৩টি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। এরপর নাইমকে নিয়ে ৫৩ ও সাব্বির রহমানকে নিয়ে ৫৬ রানের দুটি দারুণ জুটি গড়েন ইরফান শুক্কুর। তাতেই লড়াইয়ের পুঁজি মিলে দলটির।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৪ রানের ইনিংস খেলেন শুক্কুর। ৬২ বলে ৮টি চার ও ১টি ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান এ উইকেটরক্ষক ব্যাটার। নাঈমের ব্যাট থেকে আসে ৩২ রান। শাইনপুকুরের হয়ে ৩৮ রানের খরচায় ৪টি উইকেট নেন রিপন মণ্ডল। ২টি শিকার সিকান্দার রাজার।