রান পেলেন আকবর, অভিষেক-অংকনের ব্যাটে জিতল শাইনপুকুর
বাংলাদেশকে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ এনে দেওয়ার অন্যতম কারিগর আকবর আলী। কিন্তু পেশাদার ক্রিকেটে যেন সেভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারছিলেন না নিজেকে। অবশেষে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ফিফটি করেছেন তিনি। তবে দল জেতাতে পারেননি। অভিষেক মিত্র ও মাহিদুল ইসলাম অংকনের ফিফটিতে শেষ হাসি হেসেছে শাইনপুকুরই।
শুক্রবার সাভারের বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৪৭ রান করে গাজী গ্রুপ। জবাবে ১৩ বল হাতে রেখেই জয় পায় শাইনপুকুর।
লক্ষ্য তাড়ায় দলীয় ১৪ রানেই ওপেনার আনিসুল ইসলামকে হারালে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তাসামুল হককে নিয়ে ৮৯ রানের জুটি গড়েন অভিষেক। এরপর তাসামুল আউট হলে অংকনের সঙ্গে আরও ৬৩ রানের জুটি গড়েন তিনি। তাতেই জয়ের ভিত পেয়ে যায় দলটি। এরপর এক প্রান্ত ধরে রেখে বাকি কাজ শেষ করেন অংকন।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৬ রানের ইনিংস খেলেন অভিষেক। ৮৪ বলে ৯টি চার ও ২টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। ৯১ বলে ২টি করে চার ও ছক্কায় ৫৩ রান করেন অংকন। এছাড়া তাসামুলের ব্যাট থেকে আসে ৩৫ রান। গাজী গ্রুপের পক্ষে ৪৬ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট পান হাসনা হাবিব মেহেদী।
এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে দলীয় ৯৪ রানেই ৪ উইকেট হারায় গাজী গ্রুপ। তবে পঞ্চম উইকেটে ভারতীয় রিক্রুট গুরিন্দার সিংকে নিয়ে ৮৫ রানের জুটি গড়েন আকবর। শেষ দিকে জুবারুল ইসলামের ক্যামিওতে লড়াইয়ের পুঁজি পায় দলটি।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬১ রানের ইনিংস খেলেন অধিনায়ক আকবর। ৬০ বলে ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। ৬৯ বলে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৯ রান করেন গুরিন্দার। ১৭ বলে ২টি করে চার ও ছক্কায় ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন জুবারুল। এছাড়া ফরহাদ হোসেন করেন ৪৩ রান। শাইনপুকুরের পক্ষে ২৫ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট পান হাসান মুরাদ। ২টি শিকার নাঈম হাসানের।