রাহুল এবার রেকর্ড গড়েই বিব্রতকর অবস্থায় ফেললেন রোহিতদের

স্পোর্টস ডেস্ক

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে পেলেই বুঝি বাড়তি রানের তাড়না পেয়ে বসে লোকেশ রাহুলকে। মুম্বাইর বিপক্ষে আগের দেখাতেও সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন রাহুল। এবার তার সেঞ্চুরিতে পুড়ল রোহিত শর্মার। এক দলের বিপক্ষে তিন সেঞ্চুরি করে একটি অনন্য রেকর্ডেও চড়লেন লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্ট অধিনায়ক।

নিজেদের ঘরের মাঠ ওয়াংখেড়ে লক্ষ্ণৌর কাছে ৩৬ রানে হেরেছে মুম্বাই। আগে ব্যাট করে রাহুলের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিতে ১৬৮ রান তুলে লক্ষ্ণৌ। জবাব দিতে নেমে ১৩২ রানের বেশি করতে পারেনি বিবর্ণ মুম্বাই।

এই নিয়ে এবার আইপিএলে প্রথম আট ম্যাচের সবগুলোতে হেরে  বিব্রতকর রেকর্ড লম্বা করল আইপিএলের সফলতম দলটি।

টস হেরে ব্যাটিং পেয়ে টানা উইকেট হারাতে থাকে লক্ষ্ণৌ। তবে এক প্রান্ত আগলে দলকে ভরসা দেন রাহুল। ৬২ বলে ৪ ছক্কা, ১২ চারে তিনি খেলেন ১০৩ রানের ইনিংস।

মুম্বাইর বিপক্ষে টানা দ্বিতীয় ও সব মিলিয়ে তৃতীয় সেঞ্চুরি। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তিন সেঞ্চুরি নেই আর কারো। এই নিয়ে আইপিএলে রাহুলের সেঞ্চুরি হলো চারটি, টি-টোয়েন্টিতে ছয়টি।

বিপর্যয়ে দলকে পথে রাখা রাহুল ফিফটি স্পর্শ করেন ৩৭ বলে। এরপর তার ব্যাট হয়ে উঠে আরও আগ্রাসী। আরও ২৪ বল খেলেই পা রাখেন তিন অঙ্কে। অজি পেসার রাইলি মেরেডিথকে ছক্কায় উড়িয়ে ব্যাট উঁচিয়ে ধরেন তিনি।

দেড়শো ছাড়ানো পুঁজি নিয়ে মুম্বাইকে চেপে ধরে লক্ষ্ণৌ। ওপেন করতে নামা ইশান কিশান যেন কুঁকড়ে যান। তার জড়োসড়ো অবস্থায় আরেক দিকে ছন্দ পাচ্ছিলেন রোহিত। ইশান ফেরেন ২০ বলে ৮ করে।

ওপেনিং জুটিতে ৪৯ রানের জুটি ভাঙার পর ধস নামে মুম্বাইর ইনিংসে। ডিওয়াল্ড ব্রেভিস এসেই ফিরে যান। ৩৯ করে কাটা পড়েন রোহিতও। সূর্যকুমার যাদব ক্যাচ দেন ৭ রান করে।

বল হাতে ৮ রানে ২ উইকেট নিলেও ব্যাটিংয়ে পোলার্ড ছিলেন মলিন। তবে তিলক বর্মা ঝড় তুলে দলকে খেয়ায় রেখেছিলেন। ২৭ বলে তিনি করে যান ৩৭ রান।

ধুঁকতে থাকা পোলার্ড ২০ বলে ১৯ রান করে ক্যাচ উঠিয়ে বিদায় নেন। লক্ষ্ণৌর হয়ে ক্রুনাল পান্ডিয়া ১৯ রান দিয়েই পান তিন উইকেট। শ্রীলঙ্কার পেসার দুশমন্ত চামিরা দারুণ বল করে ৪ ওভারে দেন কেবল ১৪ রান।