রূপগঞ্জ টাইগার্সকে জেতালেন ভারতীয় বাবা
মাত্র ২ রানের জন্য সেঞ্চুরি দেখা পাননি অপরাজিথ বাবা। আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন। তবে শেষ হাসি হেসেছেন এ ভারতীয় অলরাউন্ডারই। তার ইনিংসে ভর করে লড়াইয়ের পুঁজি পায় রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব। এরপর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে জয়ও মিলে যায় প্রথমবারের মতো প্রিমিয়ার লিগ খেলতে আসা দলটির।
বৃহস্পতিবার সাভারের বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতিকে ৩৬ রানে হারায় রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৫৯ রান করে তারা। জবাবে ২১ বল বাকি থাকতে ২২৩ রানে গুটিয়ে যায় খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি।
তবে টস হেরে ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো ছিল না রূপগঞ্জ টাইগার্সের। মূলত বাবার ব্যাটেই ঘুরে দাঁড়ায় তারা। দলীয় ২০ রানে ২ উইকেট হারানোর পর তৃতীয় উইকেটে ফজলে মাহমুদ রাব্বির সঙ্গে ৮৯ এবং চতুর্থ উইকেটে মার্শাল আইয়ুবের সঙ্গে ১১৬ রানের জুটি গড়েন এ ভারতীয় অলরাউন্ডার। তাতে ৭ উইকেটে ২৫৯ রান সংগ্রহ করে দলটি।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯৮ রানের ইনিংস খেলেন বাবা। ১২০ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান তিনি। ৬০ বলে ৬৩ রানের ইনিংস খেলেন অধিনায়ক মার্শাল। ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। ৬৭ বলে ৬টি চারের সাহায্যে ৫২ রান করেন ফজলে রাব্বি।
খেলাঘরের পক্ষে ৫১ রানের খরচায় ২টি উইকেট পান মোহাম্মদ ইলিয়াস সানি। ৫৭ রানের বিনিময়ে ২টি শিকার মাসুম খান টুটুলেরও।
লক্ষ্য তাড়ায় রূপগঞ্জ টাইগার্সের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ফলে দলীয় ৯১ রানেই প্রথম সারির পাঁচ উইকেট হারায় দলটি। এরপর ষষ্ঠ উইকেটে সালমান হোসেনকে নিয়ে ৬৫ ও মাসুমকে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন ইলিয়াস সানি। তবে এ জুটি ভাঙলে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা। ২২৩ রানেই গুটিয়ে যায় দলটি।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন ইলিয়াস সানি। ৬৪ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। ৭১ বলে ২টি করে চার ও ছক্কায় ৫৮ রান করেন সালমান। ২৯ রান আসে মাসুমের ব্যাট থেকে।
রূপগঞ্জ টাইগার্সের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন নাসুম আহমেদ, শরিফুল্লাহ, এনামুল হক জুনিয়র, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও ফরহাদ রেজা।