সাদিকুর-ইমতিয়াজের ঝলকের পর রোমাঞ্চ ছড়িয়ে জিতল ব্রাদার্স
ম্যাচটা সহজেই জেতার দিকে ছিল ব্রাদার্স ইউনিয়ন। ২৮১ রান তাড়ায় যে দুই ওপেনার সাদিকুর রহমান আর ইমতিয়াজ হোসেনই তুলে ফেলেছিলেন ১৫৯ রান। কিন্তু এরপর দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায় তারা। ম্যাচে জমে উঠে উত্তেজনা। শেষ দিকে দলের হয়ে কাজটা সারেন আবু হায়দার রনি।
শনিবার বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে শাইনিপুকুরকে ৩ উইকেটে হারায় মোহাম্মদ আশরাফুলের ব্রাদার্স। ২৮২ রানের লক্ষ্যে পৌঁছায় তারা শেষ ওভারে।
ওপেনার আনিসুল ইসলাম ইমনের ৫১, তাসামুল হকের ৬৮ ও জিম্বাবুয়েয়ের সিকান্দার রাজার ৭৪ রানে ভর করে ২৮০ করেছিল শাইনপুকুর।
জবাবে ব্যাট করতে গিয়ে দারুণ শুরু আনেন ইমতিয়াজ ও সাদিকুরের ওপেনিং জুটি। ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে প্রতিপক্ষের বোলারদের উপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন তারা। ১০ ওভারেই এসে যায় ৭৭ রান।
টি-টোয়েন্টি মেজাজে ৩৫ বলেই ফিফটি করেন সাদিকুর। ইমতিয়াজ ফিফটি স্পর্শ করেন ৫৩ বলে। ১৩১ বলেই দেড়শো পেরিয়ে যায় ব্রার্দাস। ম্যাচ যখন একদম সহজ হতে চলেছে তখন ৭৩ বলে ৮৪ করা সাদিকুরকে আউট করেন নাঈম হাসান। রাহাতুল ফেরদৌস ছাঁটেন ইমতিয়াজকে।
২৩ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে ব্রাদার্স। রানের চাকাও হয়ে পড়ে শ্লথ। মাইশুকুর রহমান ও ধীমান ঘোষ ৭১ রানের জুটিতে খেলায় ফেরান দলকে। তারাও পর পর ফিরে গেলে ম্যাচে নেয় নতুন মোড়। শেষ দিকের সমীকরণ ৯ বলে ১৪ রানের ক্যামিওতে মিলিয়ে দেন আবু হায়দার।
এর আগে ব্যাট করতে গিয়ে রাকিন আহমেদকে শুরুতেই হারিয়েছিল শাইনপুকুর। কিন্তু আনিসুল ও তাসামুল মিলে ৮১ রানের জুটিতে দেন ভরসা। ৪৯ বলে ফিফটি করেন আনিসুল। আমিনুল ইসলাম বিপ্লবের লেগ স্পিনে থামতে হয় তাকে ৫১ রানে। ৬০ পেরিয়ে থামেন তাসামূলও। শেষ পর্যন্ত সিকান্দার রাজার ৭১ রানের ইনিংস লড়াইয়ের পুঁজি পায় শাইনপুকুর।