ঢাবিতে ‘ডোপ টেস্টের’ নীতিমালা কমিটির অনুমোদন

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের 'ডোপ টেস্টের' আওতায় আনতে সাত সদস্যের একটি কমিটির অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট। কমিটি এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা তৈরি করবে এবং এটির সক্ষমতা যাচাই করবে৷

ঢাবির উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল দ্য ডেইলি স্টারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, 'শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক মাদকাসক্তদের চিহ্নিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়৷ ডোপ টেস্টের কাজ কী প্রক্রিয়ায় করা হবে, এর জন্য কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকা দরকার, তা পর্যালোচনা করতে কমিটি গঠন করা হয়৷ গতকাল সিন্ডিকেট এটির অনুমোদন দেয়।'

গতকাল মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান সভাপতিত্ব করেন।

এর আগে, গত ১৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত ডিনস কমিটির সভায় ডোপ টেস্ট কীভাবে করা হবে, এর সক্ষমতা যাচাইসহ নানাবিধ কার্যক্রম জন্য সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল৷ কমিটির আহ্বায়ক করা হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ টিটো মিঞাকে৷ অন্যরা হলেন- আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহ, এছাডা়ও জীববিজ্ঞান, ফার্মেসি চিকিৎসা অনুষদের ডিন এবং ক্লিনিক্যাল সাইক্লোজি বিভাগের চেয়ারম্যান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান মেডিকেল অফিসার৷

সিন্ডিকেটের একজন সদস্য দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, এটির বাস্তবায়ন করতে পারবে কি-না, সেটি নিয়ে সংশয় আছে। মনে হচ্ছে এটির প্রয়োগ করা খুব কঠিন হবে৷

সম্প্রতি জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বছরে একবার ডোপ টেস্টের পাশাপাশি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়েও ডোপ টেস্টের তাগিদ দেওয়া হয়।

গতকালের সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষাছুটি নিয়ে বিদেশে পিএইচডি করতে গিয়ে নির্ধারিত সময়ে না ফেরা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা অর্থ পরিশোধ না করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাফিজ জামানকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়।