ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীকে মারধরের অভিযোগে মামলা
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. ওমর ফারুকের ওপর হামলার অভিযোগে তিন জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
আসামিদের মধ্যে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও একই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এম সাইফউল্লাহ বাদলের ছোট ছেলে নাজমুল হাসান সাজনকেও আসামি করা হয়েছে।
রোববার বিকেলে ওমর ফারুক বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় এই মামলা করেন। তবে এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় উপজেলার উত্তর নরসিংপুরে হাত পাখার ক্যাম্পে চেয়ারম্যান প্রার্থী ওমর ফারুককে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় আজ সকালে শহরের চাষাঢ়ায় শহীদ মিনারে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করে ইসলামী আন্দোলনের নেতারা।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান বলেন, 'এ ঘটনায় চেয়ারম্যান প্রার্থী সাইফউল্লাহ বাদলের ছেলে সাজনসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৫০ জনের বিরুদ্ধে হাত পাখা প্রতীক চেয়ারম্যান প্রার্থী ওমর ফারুক বাদী হয়ে মামলা করেছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।'
ওমর ফারুক দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আমি শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাশিপুর ইউনিয়নের উত্তর নরসিংপুর নিজ বাড়ির সামনে নির্বাচনী ক্যাম্পে বসে স্থানীয় ৫ থেকে ৭ জন মুরব্বীর সঙ্গে কথা বলছিলাম। ওইসময় আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এম সাইফ উল্লাহ বাদলের ছেলে সাজন শতাধিক মোটরসাইকেলে তার অনুগামীদের নিয়ে এসে আমার ক্যাম্পে অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় সাজন আমাকে পিস্তলের বাট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। পরে তার সহযোগীরা আমাকে মারধর শুরু করে। আমাকে হত্যা করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। মারধর করে ফেলে রেখে চলে যাওয়ার পর স্থানীয়রা এসে আমাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়।'
হামলার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, 'এম সাইফ উল্লাহ বাদল আমাকে অনেক হুমকি ধমকি দিয়েছে যাতে নির্বাচন থেকে সরে যাই। আমি নির্বাচন থেকে না সরে দাঁড়ানোর কারণেই আজকে আমার উপর হামলা করা হয়েছে।'
এ বিষয়ে এম সাইফ উল্লাহ বাদলের ফোনে এই সংবাদদাতা একাধিকবার ফোন করলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।