কক্সবাজারে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: প্রধান আসামি আশিক ৩ দিনের রিমান্ডে
কক্সবাজারে স্বামী ও সন্তানকে জিম্মি করে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি আশিকুল ইসলামকে ৩ দিনের রিমান্ডে দিয়েছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আবুল মনসুর সিদ্দিকী ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. রুহুল আমিন দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, 'মামলার মূল আসামি আশিকুল ইসলাম আশিকের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে গতকাল সোমবার আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। আজ দুপুর ১২টায় সে আবেদনের শুনানি হয়।'
আশিককে গত ২৬ ডিসেম্বর মাদারীপুর থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। গতকাল তাকে কক্সবাজার নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে এ মামলার পলাতক আসামি মেহেদী হাসান বাবুকে (২৭) গতকাল রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত সব আসামি গ্রেপ্তার হলো।
বাবুকে আজ আদালতে হাজিরা করা হলে আদালত তাকেও ৩ দিনের রিমান্ডে দেন।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'এ মামলায় গ্রেপ্তার বাকি ৫ আসামিকে রিমান্ড শেষে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে তারা কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।'
গত ২২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সংঘবদ্ধ চক্র কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবনী পয়েন্ট থেকে ২৫ বছর বয়সী এই নারী পর্যটককে তুলে নিয়ে যায়। ওই নারীর অভিযোগ, তার স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে ও তাদের হত্যার হুমকি দিয়ে তাকে ২ দফা ধর্ষণ করা হয়।
পরে খবর পেয়ে ওই দিন গভীর রাতে জিয়া গেস্ট ইন নামের ওই আবাসিক হোটেলে অভিযান চালায় র্যাব। আটক করা হয় হোটেলের ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটনকে।
ঘটনার পরদিন রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ওই নারীর স্বামী ৪ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি অজ্ঞাত পরিচয় আরও ৩ জনসহ মোট ৭ জনকে আসামি করে কক্সবাজার সদর থানায় নারী নির্যাতন আইনে মামলা করেন।
মামলার এজাহারভুক্ত ৩ আসামি হলেন-আশিকুল ইসলাম আশিক, ইসরাফিল হুদা জয় ও মেহেদী হাসান বাবু।