খাল ভরাট করে হাউজিং প্রকল্প: ইউপি চেয়ারম্যানের ড্রেজার জব্দ
সাভারে খাল, কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাট করায় উপজেলার বনগাঁও ইউনিয়নে দুটি হাউজিং প্রকল্পে অভিযান চালিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এ সময় বনগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের ২টি ড্রেজার এবং ও ৪০০ ফুট পাইপ জব্দ করা হয়।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে সাভারের বনগাঁও ইউনিয়নে জমজম হাউজিং ও এস এ হাউজিংয়ে অভিযান পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তর সদর দপ্তরের (মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদ।
পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম তালুকদার দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, 'হাউজিং প্রকল্প দুটির বিরুদ্ধে জলাশয় ভরাটের লিখিত অভিযোগ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাই। পরে পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে পাইপ ও ২টি ড্রেজার জব্দ করা হয়েছে।'
হাউজিং প্রকল্প দুটির কর্তৃপক্ষ স্বপক্ষে কোনো ছাড়পত্র বা অনুমোদনের কপি দেখাতে পারেনি বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, 'আমরা এখানকার বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করেছি। জলাশয়টি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে ভরাটকারীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা সেটা করে তাহলে আমরা কোনো মামলা করব না। না হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমজম হাউজিংয়ের মালিক বনগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম এবং এস এ হাউজিংয়ের মালিক নূর মোহাম্মদ।
জানতে চাইলে সাইফুল ইসলাম ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আমি মাত্র ২ বিঘা জমিতে বালু ভরাট করেছি। পাশেই রানার গ্রুপ, নিশান লেক সিটি, আল ফালাহ সমিতি, পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শত শত বিঘা জলাশয় ভরাট করছে। সেগুলোর বিরুদ্ধে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।'
'আমার জমি আমি ভরাট করেছি। হাউজিং প্রকল্পের কাজ এখন বন্ধ রাখা হয়েছে,' বলেন তিনি।