তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে আটক ৩
বগুড়ায় এক তরুণীকে (১৮) সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মুঠোফোনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে তিন তরুণকে আটক করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শাজাহানপুর উপজেলা থেকে পুলিশ তাদের আটক করেছে।
বিষয়টি দ্য ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেছেন শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।
জানা গেছে, পাঁচ থেকে ছয় মাস আগে ওই তরুণীর সঙ্গে এক তরুণের পরিচয় হয়। দীর্ঘদিন তাদের মধ্যে মুঠোফোনে কথা হয়। পরে গত মঙ্গলবার বিকেলে তরুণ ওই তরুণীকে ফোন করে ডেকে নিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন।
এ বিষয়ে বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘অভিযুক্ত তরুণ ওই তরুণীকে ডেকে নিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি। ঘটনাস্থলে পাঁচ জন তরুণ ছিলেন। সবাই ধর্ষণে জড়িত কি না, তদন্তের পর তা জানা যাবে।’
শাজাহানপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আমরা যে তিন জনকে আটক করেছি, ওই তরুণী তাদেরকে শনাক্ত করেছেন। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও দুই জনকে ধরতে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ওই তরুণী থানায় আছেন। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।’
এ ঘটনায় অভিযোগ করতে আজ সন্ধ্যায় বগুড়ার র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) কার্যালয়ে যান ওই তরুণী। পরে র্যাবের পক্ষ থেকে তাকে মামলা করার পরামর্শ দিয়ে শাজাহানপুর থানায় পৌঁছে দেওয়া হয়।
এই বিষয়ে বগুড়া র্যাবের কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ওই তরুণী আজ সন্ধ্যায় আমাদের কাছে এসে ঘটনাটি বলেছে। আমরা তাকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে শাজাহানপুর থানায় পৌঁছে দিয়ে আসি।’
ওই তরুণী পুলিশের কাছে না এসে কেন র্যাবের কাছে গেল, জানতে চাইলে ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘কেন তিনি র্যাবের কাছে গেলেন, তা আমার জানা নেই। তবে, তিনি তো যেকোনো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছেই যেতে পারেন। র্যাব ও পুলিশ বর্তমানে যৌথভাবেই এ বিষয়ে কাজ করছে।’