ধর্ম নিয়ে ‘কটূক্তি’: বহিষ্কৃত জবি শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন
ধর্ম নিয়ে 'কটূক্তি' করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী তিথি সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল।
আজ বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ পেশকার শামীম আল মামুন দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আস সামছ জগলুল হোসেন তিথি সরকারকে অভিযোগগুলো পড়ে শোনান। আসামি বর্তমানে কারাগারে আছেন।
ট্রাইব্যুনাল তিথির স্বামী শিপলু মল্লিককে মামলার নথি এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য যাচাই করে মামলার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।
বিচার শুরুর জন্য ১৮ নভেম্বর দিন ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল।
গত বছরের ১১ নভেম্বর পুলিশ তিথিকে নরসিংদীর মাধবদী এলাকা থেকে এবং শিপলুকে রাজধানীর কাপ্তান বাজার এলাকা থেকে আটক করেছিল।
পরে, ২ নভেম্বর পল্টন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় এই দম্পতিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এ বছরের ১৯ মে তদন্ত কর্মকর্তা মেহেদী হাসান এই দম্পতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
গত বছরের ২৩ অক্টোবর তিথির ফেসবুক পোস্ট এবং ধর্ম নিয়ে মন্তব্য করা কিছু স্ক্রিনশট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।
জবি শিক্ষার্থীরা তখন তিথির শাস্তি দাবি করেছিল।
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের পর সংগঠনের নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে তিথিকে ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ ছাত্র অধিকর পরিষদের জবি ইউনিটের দপ্তর সম্পাদক পদ থেকেও বরখাস্ত করা হয়।
একই দিনে, তিনি পল্লবী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন। জিডিতে তিথি দাবি করেন, তার ফেসবুক আইডি হ্যাক করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মধ্যে ২৬ অক্টোবর তিথিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল।
এর আগে, পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তিথি গত বছরের ২৫ অক্টোবর সকালে তার পল্লবীর বাসা থেকে স্থানীয় থানায় যাওয়ার পর নিখোঁজ হন। তার বড় বোন স্মৃতি রানী সরকার একই বছরের ২৭ অক্টোবর পল্লবী থানায় নিখোঁজের জিডি করেছিলেন।