ধর্ষণের অভিযোগে এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

নিজস্ব সংবাদদাতা, সাভার

ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পরদিন সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুলিয়া ক‍্যাম্পাস শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাকিব ভূঁইয়াকে।

বুধবার সন্ধ্যায় এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, 'বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় শাখার এক জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, নৈতিক স্খলন ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুলিয়া ক্যাম্পাস শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাকিব হোসেন ভূঁইয়াকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হলো। মো. সাকিব হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে পাওয়া অভিযোগের তদন্তের জন্য এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি তারিকুল হাসান নাজমুল ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেনকে নিয়ে ২ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো। উক্ত কমিটিকে আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।'

এ আদেশের বিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি সৈয়দ নুরুল হাসনাত শুভ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'বিভিন্ন পত্র-পত্রিকাতে আমরা একটা বিষয় দেখেছি। সাকিবের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ উঠেছে। সেটারই তদন্ত করতে আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে এই আদেশটি দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি যদি সত্য বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে আমরা তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করব।' 

এর আগে গত সোমবার বিকেলে আশুলিয়া থানায় সাকিব হোসেন ভূইয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ করেন এক তরুণী। এরপর থেকে সাকিব ও তার আত্মীয় ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান সাহেদ ওই তরুণীকে হুমকি-ধমকি ও হয়রানি করে বলে অভিযোগ করেছেন ওই তরুণী। 

এ ঘটনার পর ৩ দিন পার হলেও এখনো সাকিব ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

অভিযুক্ত মো. সাকিব ভূঁইয়ার বক্তব্য জানার জন্য মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
 
তবে, যোগাযোগ করা হলে ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান সাহেদ দ‍্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আমি ওই তরুণীকে হুমকি দেব কেন? আমি তাকে হুমকি দেইনি।'