ধর্ষণে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণপোষণ: বিধি প্রণয়নে সরকারের নিষ্ক্রিয়তায় হাইকোর্টের রুল

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

ধর্ষণে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণপোষণ দিতে সংশ্লিষ্ট আইনে বিধিমালা প্রণয়নে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাইকোর্ট।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর অধীনে বিধিমালা প্রণয়নের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা চার সপ্তাহের মধ্যে ব্যাখ্যা করতে আদালত আজ বুধবার এক রুল জারি করেছে।

রুলে কুড়িগ্রামে ধর্ষণে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তার কারণ দর্শানোর নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে ধর্ষণ ভিকটিমের পক্ষে আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু ও ইশরাত হাসানের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এসএম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

ইশরাত হাসান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ২০১০ সালে কুড়িগ্রামে খয়ের আলী নামে একজন ভিকটিমকে ধর্ষণ করে এবং ধর্ষণের ফলে একটি শিশুর জন্ম হয়।

২০২১ সালে, কুড়িগ্রামের একটি আদালত ধর্ষণ মামলায় খয়ের আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন এবং সরকারকে শিশুটির ভরণপোষণ দেওয়ার নির্দেশ দেন।

ইশরাত হাসান বলেন, জেলার জেলা প্রশাসক শিশুটিকে এতিমখানায় পাঠানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু, সরকার শিশুটির কোনো ভরণপোষণ দেয়নি কারণ আইনের অধীনে কোনো বিধি প্রণয়ন করা হয়নি।