ধর্ষণ মামলার বাদীকে বিয়ে করে জামিন পেলেন পুলিশের এসআই
পঞ্চগড়ে ধর্ষণ মামলার বাদীকে বিয়ে করে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন আসামি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল জলিল (৪৫)। তিনি কুড়িগ্রাম সদর থানায় কর্মরত ছিলেন।
আজ বুধবার দুপুরে পঞ্চগড় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান তালুকদার তার জামিন আদেশ দেন।
ধর্ষণ মামলার আসামি এসআই আব্দুল জলিলকে পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী জেলহাজত থেকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার বাদী ওই নারীকে বিয়ের শর্তে তিনি জামিন আবেদন করেন।
আজ বিকেলে পঞ্চগড় জেলা আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে দুই পক্ষের আইনজীবী ও স্বজনদের উপস্থিতিতে বাদীর সঙ্গে আসামি এসআই আব্দুল জলিলের বিয়ে সম্পন্ন হয়। পরে বিয়ের কাবিননামা আদালতে দাখিল করে মুক্ত হয়ে বাড়িতে ফেরেন তিনি।
আব্দুল জলিলের প্রথম স্ত্রী উপস্থিত থেকে সম্মতি দিলে ৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ২৫ মার্চ আবদুল জলিলের বিরুদ্ধে পঞ্চগড় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন এক নারী। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে প্রথমে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন।
চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আজাদ জাহান আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।
একই আদালত গত ২৩ জানুয়ারি ধর্ষণ মামলায় আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে তিনি উচ্চ আদালতে ৬ সপ্তাহের জামিন পান।
গত ১৬ মার্চ উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ শেষ হলে গত রোববার তিনি এই আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। এ সময় শুনানি শেষে আদালত জামিন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।