নারায়ণগঞ্জে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক
নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলায় হাত, পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে স্বামী।
গতকাল সোমবার রাত ১১টায় উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জের পাগলা বাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহত গৃহবধূ হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া খড়মপুর এলাকার খোকন মিয়ার মেয়ে মুক্তা বেগম (২৭)। তিনি আদমজী ইপিজেড এলাকার অনন্ত গার্মেন্টসের শ্রমিক।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'বাড়ির মালিক ফোনে জানালে পুলিশ ঘরের তালা ভেঙে হাত, পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় মুক্তা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। তার চোখে আঘাতের চিহ্ন আছে। তাকে কয়েকদিন আগে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিক ধারণা, শ্বাসরোধ করে গৃহবধূকে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে।'
এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে তিনি আরও বলেন, 'গত শনিবার রাতে মুক্ত বেগম ও স্বামী সোহাগ হোসেনের মধ্যে ঝগড়া হয়। তারপর দিন থেকেই ঘরের দরজায় তালা ছিল। স্বজনদের অভিযোগ মুক্তার স্বামী সোহাগই তার স্ত্রীকে হত্যা করে ঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে যায়।'
তিনি বলেন, 'স্বামী সোহাগ পলাতক আছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।'
বাড়ির মালিক মো. শহিদুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, 'স্বামী-স্ত্রী দুইজনই গার্মেন্টস শ্রমিক। কয়েক মাস ধরে তারা এখানে বসবাস করছেন। নিহতের খালা ফোন করে জানান মুক্তাকে হত্যা করে মরদেহ ঘরে রেখে তার স্বামী সোহাগ পালিয়ে গেছে। সোহাগই নাকি ফোন করে তাদের জানিয়েছেন। পরে আমরা পুলিশকে জানাই।'