নিয়োগে অনিয়ম: ১০ম গ্রেডের পদকে ‘তৃতীয় শ্রেণি’ দেখিয়েছে মাউশি
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) 'প্রদর্শক' পদে নিয়োগে অনিয়ম তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
২০২০ সালের অক্টোবর মাসে বিভিন্ন পদে ৪ হাজার ৩২ জনকে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল মাউশি। এর মধ্যে 'প্রদর্শক' পদ ছিল ৫১৪টি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের একজন কর্মকর্তা বলেন, 'প্রদর্শক' পদ দশম গ্রেডের হওয়ায় সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা। এরকম পদে নিয়োগে প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেয় পিএসসি।
কিন্তু সূত্রগুলো জানায়, নিয়োগের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যে অনুমতি নেওয়া হয় তাতে প্রদর্শক পদকে নিম্ন গ্রেডের দেখিয়ে মাত্র ৭০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা নিয়েছে মাউশি।
দুদকের ওই কর্মকর্তা বলেন, প্রদর্শকরা পদোন্নতি পেয়ে প্রভাষক এমনকি অধ্যাপক পর্যন্ত হওয়ার নজির আছে। নিয়ম অনুযায়ী এই নিয়োগ পরীক্ষা পিএসসিরই নেওয়ার কথা।
বিষয়টি তদন্ত করতে আজ দুদকের সহকারী পরিচালক জেসমিন আক্তার ও রঞ্জিত কুমার কর্মকার মাউশিতে অভিযানে যান।
মাউশির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) শাহেদুল খবির চৌধুরী দুদককে বলেন, নিয়োগ দেওয়ার দায়িত্ব মাউশির। নিয়োগ পাওয়ার পর তাদের পদোন্নতি দেওয়ার দায়িত্ব পিএসসির। এখানে আমাদের কিছু করার নেই।
দুদক দেখেছে, নথির নোটশিটে দশম গ্রেডের পদগুলোকে দ্বিতীয় শ্রেণির উল্লেখ করা হলেও মন্ত্রণালয় থেকে নিয়োগের অনুমোদন নিতে এই পদকে তৃতীয় শ্রেণির দেখানো হয়।
এ ব্যাপারে তদন্তের জন্য নিয়োগ বিধিসহ মাউশিকে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র দেখাতে বলেছে দুদক।