নোয়াখালীতে বিএনপি নেতা হত্যা: ইউপি সদস্যসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা
নোয়াখালী সদর উপজেলা বিএনপি নেতা হারুনুর রশীদ মোল্লাকে (৫৫) গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় স্থানীয় ইউপি সদস্য রিয়াদসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
আজ শনিবার বিকেলে নিহতের ভাই আমিনুল হক বাদী হয়ে ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে সুধারাম মডেল থানায় এ মামলা করেন।
মামলায় আন্ডারচর ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রিয়াদের সঙ্গে বিবাদীর পূর্ব শত্রুতা ও পারিবারিক বিরোধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
শুক্রবার রাতে সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের হাতে আটক মিলন ও সোহাগকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
সুধারাম মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. এমদাদুল হক দ্য ডেইলি স্টারকে এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত হারুনুর রশীদ মোল্লা উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গতকাল শুক্রবার রাত আটটার দিকে স্থানীয় পশ্চিম তালতলা নামক স্থানে এলোপাতাড়ি গুলি করে ও কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে হারুনের ছেলে সজীবের সঙ্গে স্থানীয় আন্ডারচর ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রিয়াদ মেম্বারের অনুসারী কয়েকজন যুবকের বাকবিতণ্ডা হয়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল রাতে পশ্চিম তালতলা নামক স্থানে রিয়াদ মেম্বারের অনুসারীরা হারুন মোল্লার ওপর হামলা চালায়। এসময় তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোঁড়া হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কোপাতে থাকে।
হামলায় হারুনের ভাতিজা রমিজ উদ্দিনও আহত হয়। পরে, স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। তবে, হামলাকারীদের মধ্যে সোহাগ, মিলন ও গিয়াসউদ্দিনকে আটক করে স্থানীয়রা।
জানতে চাইলে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আকরামুল হাসান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'নিহতের ভাই বাদী হয়ে ৪০ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলার অভিযোগ করেছেন। অভিযোগটি খতিয়ে দেখে মামলা নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের কয়েকটি টিম কাজ করছে।'