বনানীতে শিক্ষাথী ধর্ষণ: আদালতে সাফাতসহ ৫ আসামি
রাজধানীর বনানীতে রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ ৫ আসামিকে আদালতে নেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। ৫ আসামিকে মহানগর দয়রা কোর্টের জেলখানায় রাখা হয়েছে। পুলিশ পরিদর্শক ও জেলখানার ইনচার্জ মো. আব্দুল হাকিম দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, এদিন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এ আসামিদের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণার কথা রয়েছে।
এই মামলার বাকি আসামিরা হলেন— সাফাতের বন্ধু নাঈম আশরাফ ওরফে এইচএম হালিম, সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন।
গত ১২ অক্টোবর এই মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারিত ছিল। সেদিন বিচারক ছুটিতে থাকায় রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে ২৭ অক্টোবর নির্ধারণ করেন আদালত। ওই দিন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার মারা যাওয়ায় আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকে।
২০১৭ সালের ৬ মে ৫ জনের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থী বনানী থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। মামলার বিবরণীতে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে এক জন্মদিনের অনুষ্ঠানে সাফাত ও নাঈম মামলার বাদী ও অন্য এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেছেন। ঘটনার সময় বিল্লাল, রহমত ও সাকিফ সহায়তা করেন।
ওই বছরের ৭ জুন ঢাকা মহানগর পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি আদালতে ৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন।
অভিযুক্তদের মধ্যে সাফাত, নাঈম, সাকিফ ও বিল্লাল বিভিন্ন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেটদের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ২০১৭ সালের ১৩ জুলাই ট্রাইব্যুনাল ৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এই মামলায় মোট ২২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।