ভাইকে ফাঁসাতে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়: ডিবি
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাইকে ফাঁসাতে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
বুধবার বিকেলে এ ঘটনায় নিহত কিশোরীর স্বামী ষাট বছরের আব্দুর রাজ্জাককে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে রাজ্জাক হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন বলে জানান জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম।
গত মঙ্গলবার ধাবাউড়ার টাংগাটি গোয়াতলায় রাস্তার পাশ থেকে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ মরদেহের পরিচয় উদঘাটন করে।
ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, দুই মাস আগে চাকরি দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে বিয়ে করেন আব্দুর রাজ্জাক। রাজ্জাকের ভাই আমিনুল ইসলামের সঙ্গে সম্পত্তি ও জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। হত্যা মামলার মতো গুরুতর অপরাধে ফাঁসাতে স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন রাজ্জাক। দুই সহযোগীর সঙ্গে এ বিষয়ে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন তিনি।
ওসি আরও জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী গত সোমবার সকালে আব্দুর রাজ্জাক স্ত্রীকে গাজীপুর থেকে ধোবাউড়ায় বেড়ানোর কথা বলে রওয়ানা হন। সন্ধায় কংশ নদীর তীরে তার দুই সহযোগীর কাছে মেয়েটিকে তুলে দেন। তারা ধর্ষণের পর কিশোরীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। রাজ্জাকের ভাই আমিনুল ও তার পরিবারকে হত্যাকাণ্ডে ফাঁসাতে মরদেহ আমিনুলের বাড়ির পাশে ধান খেতে রেখে দেয়।
আজ বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত আব্দুর রাজ্জাককে ময়মনসিংহের আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠান। অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।