মুরাদের বিরুদ্ধে জিডি: পুলিশকে তদন্তের অনুমতি আদালতের
সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রীর পদ হারানো মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগে স্ত্রী ডা. জাহানারা এহসানের করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) তদন্তের অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
আদালত সূত্র জানায়, জিডির তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম মো. মামুনুর রশিদ আজ রোববার এ আদেশ দেন।
এর আগে, তদন্ত কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক রাজীব হাসান গতকাল জিডি তদন্তের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করেন।
জাহানারা এহসান গত ৬ জানুয়ারি ধানমন্ডি থানায় তার স্বামী মুরাদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ এনে জিডি করেন।
ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক তদন্ত কর্মকর্তা রাজীব হাসান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, তদন্ত করার জন্য আদালতের আদেশের কাগজ কাল পাবো। এর পরই তদন্ত শুরু করব।
মুরাদ হাসান কোথায় প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, মারধর ও হত্যা হুমকির অভিযোগে তার স্ত্রী ডা. জাহানারা থানায় জিডি করার পর থেকে তিনি বাসায় ফেরেননি।
গত ৬ জানুয়ারি জাতীয় জরুরি সহায়তা নম্বর ৯৯৯ এ মুরাদ হাসানের স্ত্রী ডা. জাহানারা এহসান ফোন করে পুলিশি সহায়তা চান। এরপরই ধানমন্ডি পুলিশের ১০ সদস্যের একটি দল ঢাকার ধানমন্ডিতে মুরাদের বাড়িতে ছুটে যান।
জিডিতে ডা. জাহানারা জানান, ১৯ বছর আগে মুরাদের সঙ্গে তার বিয়ে হয় এবং তাদের সংসারে দুই সন্তান রয়েছে।
গত ৭ ডিসেম্বর, মুরাদ হাসান মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। নারীদের সম্পর্কে আপত্তিকর এবং অবমাননাকর মন্তব্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে পদত্যাগ করতে বলেছিলেন।
মুরাদ গত ১০ ডিসেম্বর কানাডার উদ্দেশ্যে দেশত্যাগ করেন। তবে কানাডার বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি তাকে দেশে প্রবেশ করতে দেয়নি। এরপর কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হয়ে ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে আসেন।