মৌলভীবাজারে স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার, স্বামী কারাগারে
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ঝর্ণা কুর্মি নামে এক স্কুল শিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনায় তার স্বামী সঞ্জয় কুর্মিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি অপারেশন) নয়ন কারকুন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'মামলায় সঞ্জয়কে গ্রেপ্তারের পর আজকে আদালতে তোলা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।'
গতকাল শুক্রবার দুপুরে পৌরসভার সুরভিপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে ওই শিক্ষিকার অর্ধ ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ঝর্ণার স্বজনদের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়৷ অন্যদিকে স্বামীর বাড়ির লোকজনের দাবি, ঝর্ণা অভিমান করে আত্মহত্যা করেছেন।
ঝর্ণা মির্জাপুর ইউনিয়নের চাতল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা। ঝর্ণার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঝর্ণা ও সঞ্জয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া চলছে৷ তাদের ৩ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে।
শুক্রবার রাতে খবর পেয়ে পুলিশ ঝর্ণার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় রাতেই ঝর্ণার চাচা রামপ্রসাদ কুর্মী বাদি হয়ে ঝর্ণার ৫ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন৷
মামলার আসামিরা হলেন- পূবালী ব্যাংক কমলগঞ্জ শাখার কর্মকর্তা ঝর্ণার স্বামী সঞ্জয় কুর্মি, তার বাবা বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি সিউধনী কুর্মি, মা, বোন ও চাচাতো বোন। মামলা পর সঞ্জয় কুর্মী, শ্বশুর সিউধনী কুর্মী ও এক নারীকে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়।