লালমনিরহাটে হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের তদন্ত কমিটি গঠন
লালমনিরহাটে হাতীবান্ধা থানায় পুলিশ হেফাজতে চায়ের দোকানদার হিমাংশু রায়ের (৩৬) মৃত্যুর ঘটনায় ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করেছে জেলা পুলিশ।
আজ শনিবার রাতে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) আবিদা সুলতানা দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, লালমনিরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল) মারুফা জামালকে তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে।
থানার সিসি ক্যামেরা সংক্রান্ত, পুলিশের দায়িত্ব অবহেলাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এ কমিটি তদন্ত করবে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, এ সপ্তাহের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ হওয়া হয়েছে।
হিমাংশু রায় হাতীবান্ধা উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের পূর্ব কাদমা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
তার স্ত্রী সাবিত্রী রানীর মৃত্যুর ঘটনায় তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শুক্রবার সকালে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ হেফাজতে শুক্রবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম অবশ্য দাবি করেছেন যে হিমাংশু রায় আত্মহত্যা করেছেন।
তিনি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'হিমাংশু থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্ক রুমে ব্রডব্যান্ডের ক্যাবল গলায় পেঁচিয়ে জানালার গ্রিলে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন।'
'হিমাংশুকে শুধু জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। তাকে কোনো ধরনের শারীরিক নির্যাতন করা হয়নি,' বলেন তিনি।
তবে হিমাংশুর পরিবার ও স্থানীয়রা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।