সরকারি অফিসে সাংবাদিকের ওপর হামলা, অস্ত্রসহ আটক ১
পাবনার একটি সরকারি অফিসে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় রিভলবারসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে পাবনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহীর দপ্তরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহত বাংলাদেশ টুডের পাবনা প্রতিনিধি আব্দুল হামিদ খানকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে আব্দুল হামিদ খান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'মঙ্গলবার দুপুরে পাবনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহীর কার্যালয়ে তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে সে সময় সাইফুল ইসলাম নামে একজন এসে নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেয়। এ সময় আমি তাকে কোনো পত্রিকার সাংবাদিক জিজ্ঞেস করলে সে ক্রাইমের কোনো একটি পত্রিকার নাম বলে। পত্রিকাটি অপরিচিত হওয়ায় আমি তাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করাতে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে ওই ব্যক্তি পকেট থেকে রিভালবার বের করে আমাকে গুলি করতে উদ্দ্যত হয়।'
'এ সময় আমি বাধা দিতে গেলে সে অস্ত্র দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করে, এতে আমি আহত হই। পরে সে আমাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে', বলেন তিনি।
পাবনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কাজী আতিউর রহমান এ বিষয়ে দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আকস্মিক ঘটনায় আমরা হতবিহ্বল হয়ে পড়ি। পরে অফিসের অন্যরা ছুটে এসে অস্ত্রসহ ওই ব্যক্তিকে ধরে ফেলেন এবং পুলিশে খবর দেন।'
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সাইফুল ইসলাম নামে কথিত ওই সাংবাদিককে আটক করেছে। তার কাছ থেকে একটি রিভালবার পাওয়া গেছে। অস্ত্রটির লাইসেন্স ঢাকা জেলায়।'
এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানায় ওসি।
পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ বি এম ফজলুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আটক ব্যক্তিকে পাবনার কোনো সাংবাদিক চেনেন না। কোনো সাংবাদিক অস্ত্র নিয়ে সরকারি অফিসে যায় না। এসব কথিত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কঠিন আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।'