সাংবাদিক রুবেল হত্যায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার ২
কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক হাসিবুর রহমান রুবেল হত্যায় জড়িত সন্দেহে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্প।
আজ শনিবার র্যাবের কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়ান্ড্রন লিডার ইলিয়াস খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়া এলাকার মৃত হামিদ মোল্লার ছেলে কাজী সোহান শরিফ (৪০) ও একই এলাকার মৃত খন্দকার হারুন-উর-রশিদের ছেলে খন্দকার আশিকুর রহমান জুয়েল (৩৫)।
গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পাবনা নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে র্যাব।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ যে তথ্য পাওয়া গেছে তা মামলার তদন্তকারী সংস্থার কাজে লাগবে।
গ্রেপ্তারকৃতরা ওই সাংবাদিক হত্যার আসামি কিনা জানতে চাইলে র্যাবের কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়ান্ড্রন লিডার ইলিয়াস খান জানান, ওই মামলায় কাউকে আসামি করা হয়নি।
গত ৩ জুলাই রোববার রাত ৯টার দিকে স্থানীয় সাংবাদিক রুবেল কুষ্টিয়া শহরের বাবর আলী গেটের কাছে নিজ পত্রিকা অফিসে থাকাকালে মোবাইলে একটি ফোন পেয়ে এনএস রোডের সিঙ্গার মোড়ের দিকে যান।
এরপর থেকে তার ব্যবহৃত ৩টি মোবাইল ফোন নম্বরই বন্ধ পাওয়া যায়।
ঐ রাতেই রুবেলের ছোট ভাই মাহাবুব রহমান কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
এরপর গত ৭ জুলাই দুপুরে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় গড়াই নদীর ওপর নির্মাণাধীন কুমারখালী যদুবয়রা সংযোগ সেতুর নিচ থেকে রুবেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন রুবেলের চাচা মিজানুর রহমান বাদি হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে কুমারখালী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাবনার ঈশ্বরদি নৌ পুলিশের উপ-পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের হস্তান্তরের পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন রুবেল। সাংবাদিকতায় প্রবেশের আগে তিনি কুষ্টিয়া মিউনিসিপ্যালিটি মার্কেটে আল মদিনা ভান্ডার নামে একটি কাঁচামালের আড়ত (পাইকারি) ব্যবসায় জড়িত ছিলেন।