হাতি হত্যা বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

হাতি নিধন বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বন ও পরিবেশ সচিব, প্রধান বন সংরক্ষক ও বন্য প্রাণী অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের পরিচালকসহ বিবাদীদের প্রতি এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। 

আজ সোমবার একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদেশে হাতি চলাচলের এলাকাগুলোতে মানুষের প্রবেশ বন্ধ এবং এ বিষয়ে জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ ছাড়া, বিন বিভাগ ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ নেচারের (আইইউসিএন) চিহ্নিত হাতিদের চলাচলের জন্য ১২টি করিডোরকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সংরক্ষিত করিডোর হিসেবে ঘোষণা করা হবে না, তার কারণ জানাতে ৪ সপ্তাহের সময় দিয়েছেন। 

রুলে, আদালত বিবাদীকে হাতি হত্যা বন্ধে তাদের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তার ব্যাখ্যা করতে বলেছেন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, বন বিভাগের প্রধান সংরক্ষক; বন্যপ্রাণী অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের পরিচালকসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট ১৬ কর্মকর্তাকে রুলের বিবাদী করা হয়েছে।

হাতি নিধন বন্ধে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে বন্যপ্রাণী সুরক্ষা কর্মী আদনান আজাদ, ফারজানা ইয়াসমিন ও খান ফাতেম হাসানের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন এবং রুল জারি করেন।

হাতির নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিতে বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকায় বন বিভাগ থেকে হাতি চলাচলের জন্য চিহ্নিত ১২টি করিডর সংরক্ষণে নির্দেশনা চেয়ে রোববার ওই রিট করা হয়। 

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খান খালিদ আদনান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।