৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব সংবাদদাতা, নোয়াখালী

নিখোঁজের ১০ দিন পর সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে পাঁচ বছরের এক শিশুর মরদেহ। পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণের পর হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়েছে শিশুটিকে।

এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ স্বীকার করেছে আটককৃত শাহাদাত (২২)।

তিনি বলেন, গতকাল রাত ১২টার দিকে উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের ইব্রাহিম মিয়ার সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, গত ২৪ মার্চ বিকেলে বাড়ির সামনে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় শিশুটি।

শিশুটির মামা জানান, সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজে না পেয়ে ২৫ মার্চ চাটখিল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। জিডির সূত্র ধরে পুলিশ শনিবার ভোরে শাহাদাত হোসেনকে বাড়ি থেকে আটক করে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

জিজ্ঞাসাবাদে শাহাদাত স্বীকার করে শিশুটিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এর পর তাকে হত্যা করে রাতে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়। তার দেওয়া তথ্যে গতরাতে চাটখিল থানার ওসি মো. গিয়াসউদ্দিন পুলিশ নিয়ে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য আজ সকালে মরদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।