হাসেম ফুড কারখানার অগ্নিকাণ্ড তদন্ত করবে ১৯ সদস্যের নাগরিক কমিটি

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাশেম ফুডস অ্যান্ড বেভারেজ কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ও হতাহতের ঘটনা তদন্ত করতে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কারণ এবং সংশ্লিষ্টদের গাফিলতিসহ অন্যান্য দিকগুলোও খতিয়ে দেখবে এই কমিটি।

গতকাল এক ভার্চুয়াল সভায় গঠিত ১৯ সদস্যের নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়াকে। সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন ঢাকা লেবার কোর্ট এবং নারায়ণগঞ্জ জজ্ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান ইসমাইল।

তদন্ত কমিটিতে সদস্য হিসাবে আছেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, ডা. মো. হারুন-রশিদ, স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন, সাংবাদিক কলামিস্ট সোহরাব হাসান, শিক্ষাবিদ ও মানবাধিকার কর্মী সি আর আবরার, অধ্যাপক গওহার নঈম ওয়ারা, অধ্যাপক তানজীম উদ্দিন খান, গবেষক ও সাংবাদিক প্রিসিলা রাজ ও মাহা মির্জা, শিল্পী ও সংগঠক বীথি ঘোষ, সাংবাদিক কলামিস্ট ফারুক ওয়াসিফ, বাংলাদেশ শ্রম ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি গোলাম মুর্শেদ, বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান-তাসলিমা আখতার লিমা, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি শবনম হাফিজ, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সবুজ, এবং গবেষক ও মানবাধিকার কর্মী রেজাউর রহমান লেনিন।

কারখানাটিতে আগুন লাগার প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ কারণগুলো অনুসন্ধান, নিহত-আহত ও নিখোঁজ শ্রমিকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন, জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, কারখানা ভবনের অনুমোদন, কাঠামোগত ত্রুটি বিচ্যুতি, কারখানার কর্ম পরিবেশ, শ্রম আইনসহ অপরাপর আইনের প্রতিপালন হয়েছিল কিনা খতিয়ে দেখবে এই তদন্ত কমিটি।

প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত ও ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ক্ষতিপূরণে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কারাখানার মালিকপক্ষের দায়-দায়িত্ব, গাফিলতি এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ব্যক্তিবর্গ যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেছিল কিনা, তা-ও তদন্ত করবে নাগরিক কমিটি।