নারায়ণগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড: মর্গ থেকে ১ জনের মরদেহ হস্তান্তর
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত একজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহত মোরসালিন মিয়ার (২২) মরদেহ আজ বিকেল তিনটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গ থেকে হস্তান্তর করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতের মামা জুয়েল হকের কাছে মোরসালিনের মরদেহ হস্তান্তরের সময় দাফনের জন্য ২৫ হাজার টাকাও দেওয়া হয়।
মোরসালিন মিয়ার বাড়ি দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দরে। চার বছর আগে তিনি হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানায় শ্রমিক হিসেবে যোগ দেন। সেখানে তিনি মাসিক বেতন পেতেন সাত হাজার টাকা।
বৃহস্পতিবার অগ্নিকাণ্ডের সময় মোরসালিন কারাখানার ৩য় তলা থেকে লাফ দিয়ে আহত হন। পরে, তাকে ঢামেকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে, সেখানে রাতে তিনি মারা যান।
মোরসালিনের মামা জুয়েল হক দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, ‘মোরসালিনের বাবা আনিসুর রহমান গ্রামে কৃষিকাজ করেন। মোরসালিন এখানে কাজ করে যা আয় করতো, তার একটা বড় অংশ বাড়িতে পাঠাতে হতো। সে মারা যাওয়ায় তার পরিবার অর্থ সংকটে পড়বে। তার পরিবার আর্থিক ক্ষতিপূরণ চায়।’
ঢামেক মর্গ সূত্র জানায়, গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ৪৮টি মরদেহের ময়না তদন্ত করা হয় এবং ডিএনএ নমুনা রাখা হয়। মোরসালিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের পর ডিএনএ নমুনা রাখা ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে।
৪৮টি মরদেহের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পর, স্থান সংকুলান না হওয়ায় ঢামেক মর্গে ২৫টি মরদেহ রেখে, ১৫টি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে ও আটটি ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের হিমাগারে রাখা হয়েছে।