কোম্পানীগঞ্জে কাদের মির্জা-বাদলের অনুসারীদের সংঘর্ষে ৮ জন গুলিবিদ্ধ

নিজস্ব সংবাদদাতা, নোয়াখালী

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জের ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বসুরহাট পৌর সভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারীদের মধ্যে ধাওয়া, পাল্টা-ধাওয়া, সংঘর্ষ, গুলি ও ককটেল হামলার ঘটনা ঘটেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে দফায় দফায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আট জন গুলিবিদ্ধ রয়েছেন।

বসুরহাট পৌর সভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার অনুসারী চর এলাহী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গনি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী চর এলাহী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

তবে আহতরা সবাই আব্দুল গনির কর্মী-সমর্থক বলে জানা গেছে।

গুলিবিদ্ধ আহতরা হচ্ছেন চর এলাহী ইউপির ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার হেলাল উদ্দিন (৩৫), ফিরোজ (২৫), সাদ্দাম হোসেন (৪০), ইলিয়াছ (২৫), ইউছুফ (৩০), রুবেল (২৮), সবুজ (৩৫), মো. বাহার (৩০)।

আহতদের উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় আজ শুক্রবার ভোররাত ২টা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. সাইফ উদ্দীন আনোয়ার দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উপজেলা সদর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। কয়েকজন ছররা গুলিতে আহত হয়েছেন। আবার কারো কারো মাথায় ককটেলের স্প্রিন্টার লেগেছে।’

তবে আহতদের সঠিক সংখ্যা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটক করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।’