কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ. লীগ সভাপতির বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'হামলাকারীরা বসত ঘরের ৬টি জানালার থাই গ্লাস ভাঙচুর, ১০-১২টি ককটেল ও ৫-৬ রাউন্ড গুলি করেছে।'
খিজির হায়াত খান অভিযোগ করে বলেন, 'বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারীরা এ হামলা করেছে।'
তিনি বলেন, 'কোম্পানীগঞ্জে চলমান রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে শনিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে কাদের মির্জার অনুসারীরা ৮-১০টি মোটরসাইকেল ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা যোগে আমার গ্রামের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাসভবনের প্রধান ফটক ভেঙে ঘরের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। কিন্তু, না পেরে ৬টি জানালার গ্লাস ভাঙচুর করে। তারা কয়েকটি হাতবোমার (ককটেল) বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। হামলাকারীরা ঘরে ঢুকতে পারলে আমাদের প্রাণে মেরে ফেলত।'
তিনি আরও বলেন, 'জেলা শহর মাইজদীতে শনিবার নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কাদের মির্জা যেতে পারেননি। প্রতিনিধি সভার কার্ডগুলো আমার কাছে দেওয়া হয়। কাদের মির্জা ১৫-২০টি হাইস গাড়ি ভাড়া করে। কিন্তু, তার কোনো লোক প্রতিনিধি সভায় যেতে পারেনি। এসব ঘটনার জেরে আজকে আমার বাড়িতে হামলা চালানো হয়।'
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তার, মোবাইলে ও হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আনোয়ার দ্য ডেইলি স্টারকে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, 'খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। একদল দুর্বৃত্ত খিজির হায়াতের বাড়িতে এসে বোমা ফাটিয়ে হুমকি দিয়েছে। তাকে গালমন্দ করেছে। তবে, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'