খুলনায় ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৩৫.২৫ শতাংশ, মৃত্যু ৩
খুলনায় করোনা চিকিৎসা দেওয়া পাঁচটি হাসপাতালের মধ্যে দুটিতে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
একই সময়ে জেলায় ৩১২টি নমুনা পরীক্ষায় ১১০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩৫ দশমিক ২৫ শতাংশ।
খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের আওতাভুক্ত করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ফোকাল পারসন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, 'গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।'
২০০ শয্যার এ করোনা হাসপাতালে সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৩১ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। যার মধ্যে রেড জোনে ৫৭ জন, ইয়েলো জোনে ৩৯ জন, এইচডিইউতে ১৩ জন এবং আইসিইউতে ২০ জন চিকিৎসাধীন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২৩ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১ জন।
খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, ২৪ ঘণ্টায় করোনা ইউনিটে কোনো মৃত্যু হয়নি। বর্তমানে ৮০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২৮ জন। এ ছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নতুন কোনো রোগী ভর্তি হয়নি। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন দুই জন।
খুলনার শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ চন্দ্র দেবনাথ জানান, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের ৪৫ শয্যার করোনা ইউনিটে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৩২ জন রোগী ভর্তি আছেন। এরমধ্যে আইসিইউতে ১০ জন চিকিৎসাধীন। ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে তিন জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন পাঁচ জন।
গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী গাজী মিজানুর রহমান জানান, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে কোনো মৃত্যু হয়নি। বর্তমানে হাসপাতালের ১৫০ শয্যার করোনা ইউনিটে ৪১ জন রোগী ভর্তি আছেন। এরমধ্যে আইসিইউতে চার জন এবং এইচডিইউতে তিন জন। ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ৪২ জন ভর্তি হয়েছেন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন নয় জন।
খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টা কোনো মৃত্যু হয়নি। হাসপাতালের ৯০ শয্যার করোনা ইউনিটে বর্তমানে ৬৩ ভর্তি আছেন। এরমধ্যে আইসিইউতে ১০ জন এবং এইচডিইউতে ভর্তি আছেন তিন জন। ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১১ জন ভর্তি হয়েছেন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন সাত জন।