ইরানে ১ মাসে ৮০০ দফা বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে সমন্বিত হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েল এই অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’। এর আগে গত জুনের অভিযানের নাম ছিল ‘রাইজিং লায়ন’।
এবারের অভিযানে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে তেল আবিবের সামরিক কার্যক্রম দপ্তর, বিমান বাহিনী ও সামরিক গোয়েন্দা বাহিনী।
আজ বুধবার এই তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জেরুসালেম পোস্ট।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর মুখপাত্র জানান, তারা সমন্বিতভাবে ‘ইরানের সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠীকে’ লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে।
গত বছরের জুনে ১২ দিনের যুদ্ধ শেষে ইরানে ভবিষ্যতে হামলার জন্য পাঁচ হাজার নতুন লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করে ইসরায়েল।
এসব লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে গত ৩২ দিনে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে ৮০০ বারেরও বেশি হামলা চালিয়েছে।
এতে ১৬ হাজারেরও বেশি ‘মিউনিশন’ ব্যবহার হয়েছে।
মিউনিশন বলতে যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট, বাংকার বাস্টার বোমা ও অন্যান্য বিস্ফোরক বোঝায়।
মূলত, সামরিক স্থাপনা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করতে এসব অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।
ইরানে হামলার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য যুদ্ধক্ষেত্রেও হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি সেনা।
সব মিলিয়ে গত এক মাসে প্রায় সাত হাজার সামরিক লক্ষ্যে আঘাত হেনেছে ইসরায়েল।
মঙ্গলবার আইডিএফ ঘোষণা দেয়, আজ বুধবারের মধ্যে ইরানের সব গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাবশ্যক ‘লক্ষ্যবস্তু’ ধ্বংস করা হবে।
এখানে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে সেসব লক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে যেগুলো ইসরায়েলের জন্য ‘তাৎক্ষণিক’ হুমকির কারণ হতে পারে। এর মধ্যে আছে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু প্রকল্প সংক্রান্ত অবকাঠামো।
‘অত্যাবশ্যক’ লক্ষ্যগুলো ধ্বংস করা অপেক্ষাকৃত কম জরুরি। এতে ইরানের সামরিক স্থাপনা, অস্ত্রাগারসহ ওই খাতের অন্যান্য অংশগুলো অন্তর্ভুক্ত।

