মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ

জ্বালানি খাতে ৩০০ কোটি ডলার ভর্তুকি দেবে জাপান

স্টার অনলাইন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ আছে। এতে সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো। মূলত হরমুজ প্রণালির মাধ্যমেই এ অঞ্চলের দেশগুলো নিজেদের জ্বালানির চাহিদা মেটায়। 

এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতে ৩০০ কোটি ডলার (৩ বিলিয়ন) ভর্তুকির অনুমোদন দিয়েছে জাপান সরকার। 

জ্বালানি সংকটের জেরে দেশটিতে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বেড়েছে। জাপানের সাধারণ মানুষ যাতে এই বাড়তি খরচের বোঝা সামলাতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতে ভর্তুকির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সানায়ে তাকাইচির সরকার। 

এশিয়ার অন্য অনেক দেশের মতো জাপানও মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি হয়ে আসা জ্বালানির ওপর বড় আকারে নির্ভরশীল। এখন দেশটি হরমুজ প্রণালির বিকল্প খোঁজার চেষ্টা চালাচ্ছে। 

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসের বিলে ভর্তুকি প্রযোজ্য হবে। 
একদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ঘোষণা দেন, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব কমাতে ১৯ বিলিয়ন ডলার বাড়তি বাজেটের ব্যবস্থা করা হবে। 

সহকারী প্রধান মন্ত্রিসভা সচিব মাসানাও ওজাকি আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে জানান, ‘আমরা আজ মন্ত্রিসভা বৈঠকে ৫১৩ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন ইয়েন ভর্তুকির অনুমোদন দিয়েছি।’ 

চলতি অর্থবছরে ‘উদ্বৃত্ত’ বা রিজার্ভ হিসেবে রাখা বাজেট থেকে এই ভর্তুকি সমন্বয় করছে টোকিও। 

ওজাকি জানান, আগামী দুই মাসে বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে জ্বালানি আমদানির খরচ বাড়তে থাকলে পরের মাসগুলোতে এসব খরচ বেড়ে যেতে পারে। 

তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি অনিশ্চয়তায় ঘেরা থাকলেও আমরা চাই দেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবন বা অর্থনৈতিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের বাধার সৃষ্টি হবে না।’

সোমবার তাকাইচি প্রতিশ্রুতি দেন, সরকার আগামী বসন্তের মধ্যে জ্বালানির সরবরাহ স্থিতিশীল করবে।