বিশ্বকাপের সেরা একাদশের মনোনয়নে নেই কুবারসি
২০২৬ বিশ্বকাপে স্পেনের শিরোপা জয়ের অন্যতম বড় ভিত্তি ছিল তাদের দুর্ভেদ্য রক্ষণভাগ। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র একটি গোল হজম করে ইতিহাস গড়া দলটির দুই সেন্টার-ব্যাক পাউ কুবারসি ও আয়মেরিক লাপোর্তে ছিলেন সেই সাফল্যের মূল কারিগর। অথচ ফিফার ঘোষিত বিশ্বকাপের সেরা একাদশের মনোনয়নের তালিকায় জায়গা হয়নি এই দুজনের কারোরই।
১৯ বছর বয়সী কুবার্সি ও ৩২ বছর বয়সী লাপোর্তে পুরো আসরজুড়ে দুর্দান্ত বোঝাপড়া গড়ে তুলেছিলেন। কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিপক্ষে চার্লস ডি কেতেলারের গোলই ছিল টুর্নামেন্টে স্পেনের একমাত্র হজম করা গোল। রক্ষণে অসাধারণ নৈপুণ্যের স্বীকৃতি হিসেবে কুবার্সি জিতেছেন আসরের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কারও।
তবু বিশ্বকাপের সেরা একাদশের জন্য ঘোষিত ছয় ডিফেন্ডারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় নেই কুবারসি কিংবা লাপোর্তের নাম। ভোটাররা ৩-৪-৩, ৪-৪-২ কিংবা ৪-৩-৩—এই তিনটি ফরমেশনের যেকোনো একটি বেছে নিয়ে দল গঠন করতে পারছেন, তবে প্রতিটি পজিশনে নির্দিষ্ট কয়েকজন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকেই নির্বাচন করতে হচ্ছে।
ডিফেন্ডারদের তালিকায় জায়গা পেয়েছেন স্পেনের দুই ফুল-ব্যাক মার্ক কুকুরেয়া ও পেদ্রো পোরো। এছাড়া মনোনীত হয়েছেন আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও ক্রিস্তিয়ান 'কুতি' রোমেরো, ব্রাজিলের গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ফ্রান্সের দাইয়ো উপামেকানো এবং নেদারল্যান্ডসের ভার্জিল ফন ডাইক।
স্পেনের হয়ে সেরা একাদশের মনোনয়নে থাকা অন্য খেলোয়াড়রা হলেন গোলরক্ষক উনাই সিমন, মিডফিল্ডার রদ্রি, মিডফিল্ডার ক্যাটাগরিতে থাকা লামিন ইয়ামাল এবং ফরোয়ার্ড মিকেল ওইয়ারজাবাল।
ডিফেন্ডারদের তালিকায় রাখা হয়েছে আর্জেন্টিনার ক্রিস্তিয়ান 'কুতি' রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, ব্রাজিলের গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ফ্রান্সের দাইয়ো উপামেকানো, নেদারল্যান্ডসের ভার্জিল ফন ডাইক এবং পর্তুগালের নুনো মেন্দেসকে।
মিডফিল্ডারদের মধ্যে আছেন জুড বেলিংহ্যাম, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, মাইকেল অলিসে, উসমান দেম্বেলে, লুকা মদরিচ, ইসমাইল সাইবারি ও এনজো ফার্নান্দেজ। আর আক্রমণভাগে জায়গা পেয়েছেন লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপে, আর্লিং হলান্ড, হ্যারি কেইন ও মেক্সিকোর হুলিয়ান কুইনোনেস।
গোলরক্ষকদের তালিকায় আছেন গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী উনাই সিমনের পাশাপাশি আর্জেন্টিনার এমিলিয়ানো 'দিবু' মার্তিনেজ, ইংল্যান্ডের জর্ডান পিকফোর্ড, কুরাসাওয়ের এলোয় রুম এবং কেপ ভার্দের ভোজিনহা।
উল্লেখ্য, অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতে স্পেন। ফাইনালে ফেরান তোরেসের ১০৬তম মিনিটের গোলে শিরোপা নিশ্চিত করে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।