খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: চিত্তরঞ্জন দত্ত, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে চিত্তরঞ্জন দত্ত ছিলেন ৪ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার খেতাবের সনদ নম্বর ৪।
৫ জানুয়ারি ২০২২, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: কাজী মুহাম্মদ শফিউল্লাহ, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুহাম্মদ শফিউল্লাহ ছিলেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকায়। অসামান্য বীরত্বের জন্য হিসেবে তিনি পেয়েছিলেন বীর উত্তম খেতাব। তার খেতাবের সনদ নম্বর ২। মুক্তিযুদ্ধে প্রথমে তিনি ছিলেন ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার। পরে এস ফোর্সের প্রধান হন।
৩ জানুয়ারি ২০২২, ০১:১১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ আবদুর রব, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রব ছিলেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকায়। তার খেতাবের সনদ নম্বর ০১। মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা অবিস্মরণীয়। সিলেট অঞ্চলে ৪ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার মেজর চিত্তরঞ্জন দাশের নেতৃত্বে দুর্ধর্ষ সব যুদ্ধের অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন এম এ রব। ১৯৭১ সালে জুনের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশ ওয়্যার কোর্সের জন্য অফিসার ক্যাডেট নির্বাচনী পরীক্ষায় তিনি ছিলেন প্রধান নির্বাচক।
১ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:১০ অপরাহ্ন
মোনাজাতউদ্দিন: সংবাদের পেছনে ছুটে বেড়ানো এক মহাপ্রাণ
গাইবান্ধায় এক গ্রামে আমাশয় ছড়িয়ে পড়েছে, ডাক্তারের আগে দৌড়াচ্ছেন তিনি সংবাদের খোঁজে। বাঁধ ভেঙেছে, নদী ভাঙনে গ্রাম বিলীন হচ্ছে, খেতে ফসল নেই, সর্বত্র অভাব—মানুষ তাকে খুঁজছে, তিনি মানুষ খুঁজেছেন। সংবাদের নেশায় মরিয়া এক সংবাদকর্মী ছুটছেন সবার আগে। বৃষ্টি, ঝড় ঝাপটা, খরা, মঙ্গা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিছুই আটকাতে পারে না তাকে। প্রান্তিক মানুষের চিত্র যে জাতীয় সংবাদ হয়ে উঠতে পারে তার প্রমাণ পাওয়া যেত একজনের তৈরি করা মর্মভেদী প্রতিবেদনে।
২৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
২৬ ডিসেম্বর ১৯৭১: ‘বাংলাদেশের পুনর্গঠনে সাহায্য করবে ভারত’
১৯৭১ সালের ২৬ ডিসেম্বর ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণী কমিটির চেয়ারম্যান ডিপি ধর বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে ভারত সর্বক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে।’
২৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
২৪ ডিসেম্বর ১৯৭১: সাবেক গভর্নর ডা. এ এম মালিকসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা আটক
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ২৪ ডিসেম্বর গুরুত্বপূর্ণ ও ঘটনাবহুল একটি দিন। এদিন পূর্ব পাকিস্তানের সাবেক গভর্নর ডা. এ এম মালিক, মন্ত্রিসভার ৮ সদস্য, আমলা ও পুলিশের নেতৃস্থানীয় কর্মকর্তাসহ মোট ৩০ জনকে আটক করে বাংলাদেশ পুলিশ।
২৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৪০ অপরাহ্ন
২৩ ডিসেম্বর ১৯৭১: বাংলাদেশ সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠক
১৯৭১ সালের ২৩ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ সচিবালয় প্রাঙ্গণে সরকারি কর্মচারীদের সমাবেশে বলেন, ‘আজ বাংলাদেশ একটি বাস্তব সত্য। অথচ আজ জাতির পিতা, যিনি আমাদের স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন, সেই বঙ্গবন্ধুকে এখন পাকিস্তান সরকারের হেফাজতে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তবে আমরা তার মুক্তির জন্য সর্বপ্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। বঙ্গবন্ধু তার সোনার বাংলার যে রূপরেখা ঠিক করে রেখেছেন, বৈপ্লবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নতুন উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে, ঠিক সেইভাবে দেশকে গড়ে তোলার কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে।’
২৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
২২ ডিসেম্বর ১৯৭১: ঢাকায় ফিরে পুষ্পবৃষ্টি ও অশ্রুজলে সিক্ত জাতীয় নেতারা
ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ উড়োজাহাজে ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর বিকেল পৌনে ৫টার দিকে কলকাতার দমদম বিমানবন্দর থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছান বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম কামরুজ্জামান, অর্থ ও শিল্পমন্ত্রী এম মনসুর আলী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খন্দকার মোশতাকসহ মন্ত্রীসভার ৭ সদস্য।
২২ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
বর্বরতার স্মৃতি লেপ্টে আছে যে পোড়া ঘরে
ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের ভাওয়াল খানবাড়ি এলাকা। এর ‘বড় মসজিদের’ পেছনেই কয়েকটি নতুন ভবনের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ভেঙে পড়া জরাজীর্ণ একটি ঘর। একটু খেয়াল করলে ছাউনিবিহীন ওই ঘরের জানালার চৌকাঠ ও দেয়ালগুলোতে ছোপ ছোপ কালো আস্তর চোখে পড়বে।
২২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন
২০ ডিসেম্বর ১৯৭১: আমরা বাংলাদেশের জন্য লড়াই করেছি: ইন্দিরা গান্ধী
ভারতের দিল্লিতে পশ্চিম জার্মানির এক পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ১৯৭১ সালের ২০ ডিসেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বলেন, ‘পাকিস্তানের অঞ্চল নিজেদের দাবি করার কোনো আকাঙ্ক্ষা ভারতের নেই। আমরা বাংলাদেশের জন্যই লড়াই করেছি। এমনকি আমরা যত শিগগির সম্ভব বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সৈন্য সরিয়ে নেব।’
২০ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
১৯ ডিসেম্বর ১৯৭১: ঢাকায় পাকিস্তানি হানাদারদের অস্ত্র সমর্পণ
১৯৭১ সালের ১৯ ডিসেম্বর সকাল পৌনে ১১টায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের গলফ মাঠে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর ৪৭৮ জন অফিসার অস্ত্র সমর্পণ করেন। একই সঙ্গে ঢাকা সেনানিবাসের বিভিন্ন ইউনিটে মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর নেতৃত্বে প্রায় ৩০ হাজার পাকিস্তানি সৈন্য মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
১৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
১৮ ডিসেম্বর ১৯৭১: পল্টন ময়দানে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ, ইয়াহিয়ার পদত্যাগ
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ১৮ ডিসেম্বর গুরুত্বপূর্ণ ও ঘটনাবহুল একটি দিন। এদিন ঢাকার পল্টন ময়দানে মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কাদেরিয়া বাহিনীর প্রধান কাদের সিদ্দিকী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় পুত্র শেখ জামালও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।
১৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
‘স্বামীকে কোথায় নিয়ে হত্যা করা হয়েছিল তা যদি জানতে পারতাম’
১৯৭১ সালের ৫ ডিসেম্বর। রাজবাড়ীর পাংশায় সরকারি বীজ আনতে গিয়েছিলেন বেলগাছি আলিমুজ্জামান বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের (বর্তমানে বেলগাছি আলিমুজ্জামান স্কুল অ্যান্ড কলেজ) এক শিক্ষক। সঙ্গে ছিল তার ছেলে। সেদিন ছেলে ফিরে আসলেও ফিরেননি তিনি।
১৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
পাবনা মুক্ত হয়েছিল ১৮ ডিসেম্বর
১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের পর সারাদেশে বিজয়োল্লাস শুরু হলেও, পাবনায় তখনো ঢুকতে পারেননি মুক্তিযোদ্ধারা। সারাদেশের মানুষ যখন বিজয়ের আনন্দে ভাসছে, তখনো পাবনার দখল ছাড়েনি পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। মুক্তিযোদ্ধারা যেন ঢুকতে না পারেন, সেজন্য জেলার বিভিন্ন রাস্তা অবরোধ করে রাখে তারা। ২ দিন পর পর্যন্ত আত্মসমর্পণ করেনি পাবনায় অবস্থানরত পাকিস্তানি সেনারা।
১৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন
১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১: বিজয়ের ঘোষণা দেন মেজর হায়দার
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ১৭ ডিসেম্বর গুরুত্বপূর্ণ ও ঘটনাবহুল এক দিন। এ দিন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম জাতির উদ্দেশ্যে এক ভাষণে বলেন, ‘এখন আমাদের সময় এসেছে যুদ্ধোত্তর দেশ পুনর্গঠনের সরকার হিসেবে কাজ করার।’
১৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১: এলো বিজয়ের মাহেন্দ্রক্ষণ
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের দিন। রক্তক্ষয়ী দীর্ঘ যুদ্ধের পর এদিন মুক্ত হয় বাংলাদেশ। পাকিস্তানি বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমীর আব্দুল্লাহ খান নিয়াজীর নির্দেশে এদিন ভোর ৫টা থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যুদ্ধবিরতি শুরু করে।
১৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:১৫ অপরাহ্ন
দুই শহীদের স্মৃতি মুছে যাওয়ার পথে, স্বীকৃতি মেলেনি আজও
একাত্তরের ২ এপ্রিল। রাত্রিকালীন কারফিউ চলছে। রাজশাহী শহরের শোভেন কুমার রায় পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে সেদিন তাড়াতাড়িই ঘুমিয়ে পরেছিলেন।
১৬ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
কামান্না ট্র্যাজেডি: সেই ঘুম আর কখনোই ভাঙবে না
১৯৭১ সালের ২৫ নভেম্বর। দিনভর বিভিন্ন এলাকায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা অপারেশন চালিয়ে রাতে না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন ২৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। তাদের সেই ঘুম আর ভাঙেনি। ভোরের দিকে দখলদার বাহিনী চুপিসারে অভিযান চালিয়ে ঘুমন্ত অবস্থাতেই হত্যা করে তাদের।
১৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন
রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল সবুজ চা বাগানও
১৯৭১ সালের ৩ মে বিকেল। মৌলভীবাজারের দেওরাছড়া চা বাগানে প্রবেশ করল পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকটি গাড়ি। বাগানের অবাঙালি ম্যানেজার ২৫ মার্চের আগেই পাকিস্তান চলে গিয়েছিলেন। অভিভাবকহীন শ্রমিকরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়লেন।
১৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন
গণহত্যার স্মৃতি: যখন বেঁচে থাকাই আরও বেশি বেদনার
২৩ এপ্রিল, ১৯৭১। দুপুরের নিস্তব্ধতা খানখান হয়ে গিয়েছিল আচমকা গুলির শব্দে। পাকিস্তানি হানাদারদের উন্মত্ত গুলি থেকে বাঁচতে সেদিন পাবনার বাঘইল গ্রামের মানুষেরা চিৎকার করে জীবন বাঁচাতে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন।
১৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন