পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় অভিজ্ঞতা

১৯৪৭ সালে ঢাকা শহরে আমাদের থাকার কোনো জায়গা ছিলো না। আত্মীয়ের বাড়িতে উঠেছি। সেই আত্মীয়ের বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিল না, পানির সরবরাহ ছিল না। তারপরে আরেকটা বাড়িতে গেলাম ১ নং নাজিরা বাজারে,  সেখান থেকে বেগম বাজারে গেলাম। সেইখানে আরেক আত্মীয়ের বাড়িতে উঠলাম। তারপর ১৯৫০ সালে আজিমপুর কলোনি হলে ৫০০ সরকারি কর্মচারী পরিবার সেখানে আশ্রয় পেল। সেখানে আমরা পানি পেলাম, বিদ্যুৎ পেলাম। তো এই ছিল আমাদের দেশভাগ পরবর্তী সময়ের পটভূমি।
৩০ জুলাই ২০২২, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন

বিক্রমপুরের মতো ‘ঈশ্বরবর্জিত’ এলাকায় চৌধুরীরা কেন এসেছিলেন

ট্রাফিক জ্যাম, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রভৃতি সমস্যা উপেক্ষা করে আপনাদের উপস্থিতি আমার জন্য অপ্রত্যাশিত পাওনা। আমি আসলে জন্মদিন উদযাপন আগে করতাম না, কিন্তু আমার যারা শুভানুধ্যায়ী তারা মনে করিয়ে দেন যে, এই দিনটা আসছে এবং আজকের এই অনুষ্ঠানও তারাই আয়োজন করেছে। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।
২৯ জুলাই ২০২২, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন

গোলাম কাসেম ড্যাডি: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আলোকচিত্রী

পথিকৃৎ আলোকচিত্রী গোলাম কাসেম ড্যাডির হাত ধরেই এই দেশে ফটোগ্রাফির শিক্ষাচর্চা শুরু হয়। বাংলাদেশের ফটোগ্রাফির জনক হিসেবে সবাই তাকে ড্যাডি বলে ডাকেন। বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে তিনিই প্রথম সার্থক আলোকচিত্রশিল্পী ও ছোটগল্প লেখক। ট্রপিক্যাল ইনস্টিটিউট অব ফটোগ্রাফি ও ক্যামেরা রিক্রিয়েশন ক্লাব তার হাতে গড়া। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণের পাশাপাশি গ্লাস প্লেট নেগেটিভে ধারণ করেছেন মহাযুদ্ধের দুর্লভ মুহূর্ত।
২৮ জুলাই ২০২২, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন

বাংলা ঈদ সংখ্যার ঐতিহ্য 

ঈদ উপলক্ষে পত্রিকাগুলোতে নিয়ম করে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করে। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, ইতিহাস, প্রবন্ধসহ বিবিধ উপাদানে আকর্ষণীয় করে তোলা হয় ঈদ সংখ্যাগুলোতে। সঙ্গে থাকে অনেক বিজ্ঞাপনও। ঈদ উৎসবের নানা দিকের মতো ঈদ সংখ্যা প্রকাশ করাটাও একটি ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে।
৯ জুলাই ২০২২, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবদুল করিম খন্দকার বীর উত্তম

মুক্তিযুদ্ধে গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবদুল করিম খন্দকার ছিলেন অপারেশন কিলো ফ্লাইটের সমন্বয়ক এবং মুক্তিবাহিনীর উপ-প্রধান সেনাপতি। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য আবদুল করিম খন্দকারকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৫৭।
৫ জুলাই ২০২২, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: নৌ কমান্ডো ডা. মোহাম্মদ শাহ আলম বীর উত্তম

মুক্তিযুদ্ধে ডা. মোহাম্মদ শাহ আলম ছিলেন অপারেশন জ্যাকপটের চট্টগ্রাম বন্দরের আক্রমণের অন্যতম নৌ কমান্ডো। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও অবদানের জন্য ডা. মোহাম্মদ শাহ আলমকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। খেতাবে তার সনদ নম্বর ৫৬।
৪ জুলাই ২০২২, ১০:০২ পূর্বাহ্ন

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মতিউর রহমান, বীর উত্তম

মুক্তিযুদ্ধের সময় মতিউর রহমান ছিলেন দুর্ধর্ষ নৌ কমান্ডো। মুক্তিযুদ্ধে অবিশ্বাস্য বীরত্ব ও অবদানের জন্য মতিউর রহমানকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৫৫।
৩ জুলাই ২০২২, ১২:০১ অপরাহ্ন

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী বীর উত্তম, বীর বিক্রম

মুক্তিযুদ্ধের সময় আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী ছিলেন অপারেশন জ্যাকপটের অন্যতম পরিকল্পনাকারী এবং দলনেতা। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের জন্য আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরীকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৫৪।
২ জুলাই ২০২২, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ সিপাহী আনোয়ার হোসেন, বীর উত্তম

সিপাহী আনোয়ার হোসেন লালমনিরহাটের পাটগ্রাম যুদ্ধে শহীদ হন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৪৭।
২৩ জুন ২০২২, ০২:২৮ অপরাহ্ন

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: সালাহউদ্দিন আহমেদ, বীর উত্তম

সালাহউদ্দিন আহমেদ ছিলেন নৌ কমান্ডো দলের অন্যতম সদস্য। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৪৬।
২২ জুন ২০২২, ০৩:২৬ অপরাহ্ন

কালের আলোক দিশারী সুফিয়া কামাল

আমাদের সব গণ আন্দোলনে, অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে তিনি একাত্ম হয়েছেন। সব সংগ্রামে আলোকবর্তিকা হয়ে পথ দেখিয়েছেন বারবার। তিনি জড়িয়ে আছেন আমাদের সব সংগ্রামী অভিযাত্রায়। কোথায় নেই সুফিয়া কামাল? ভাষা আন্দোলন থেকে ৬ দফা, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ কিংবা স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন—সবখানেই তার সরব উপস্থিতি।
২০ জুন ২০২২, ০৪:২৬ অপরাহ্ন

অপারেশন ওমেগা: মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুদের উদ্যোগ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বহু বিদেশি বন্ধু নিঃস্বার্থভাবে এগিয়ে এসেছেন, দাঁড়িয়েছেন অসহায় মানুষের পাশে। সেই বন্ধুদের কেউ ক্ষুধার্ত অসহায় মানুষের জন্য ত্রাণ নিয়ে ছুটেছেন যুদ্ধ বিধ্বস্ত জনপদে, কেউ বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে কূটনৈতিক সমর্থন জানিয়ে লড়াই করেছেন বাংলাদেশের পক্ষে, কেউ বা সংবাদপত্রের পাতায় তুলে ধরেছেন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নৃশংসতা। আবার কেউ কেউ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রণাঙ্গনে লড়েছেন মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে।
৬ জুন ২০২২, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন

মুক্তিযুদ্ধে বরগুনা গণহত্যা

‘আমার ভাই নাসির তখনও জীবিত। সে বলল, ‘‘ফারুক, তুই আছিস?’’ আমি বললাম ‘‘আছি’’।
২ জুন ২০২২, ০১:২৯ অপরাহ্ন

বুরুঙ্গা গণহত্যা: মুক্তিযুদ্ধের এক নির্মম হত্যাযজ্ঞ

সিলেটের বালাগঞ্জ থানার বুরুঙ্গা ইউনিয়নের শান্ত ও নিভৃত গ্রাম বুরুঙ্গা। বুরুঙ্গা ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে বুড়িবরাক নদী।  
২৭ মে ২০২২, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন

বাঙালির নবজাগরণে রাজা রামমোহন রায় ও তার সংবাদপত্রের ভূমিকা

বাঙালির শিক্ষা, সমাজ সংস্কার, বিজ্ঞানমুখী সমাজ ব্যবস্থা, বর্ণ-শ্রেণি-জাতিগত ধর্মীয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়াই থেকে শুরু করে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা—কোথায় নেই রাজা রামমোহন রায়ের অবদান? তার মাধ্যমেই মধ্যযুগের ভারতে হলো বিপ্লব। অচলায়তন ভেঙে তিনি এনে দিলেন আলোর দুয়ার। সংস্কার, সামাজিক পুনর্গঠন ও আন্দোলনে রাজা রামমোহন রায়ের ভূমিকা অনেক। তার এসব ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয় সবসময়ই। কিন্তু তার প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্র এবং সংবাদপত্রে তার পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়টি কেন যেন একটু আড়ালে পড়ে থাকে। অথচ সংবাদপত্রের মাধ্যমেই সমাজ পুনর্গঠন ও রেনেসাঁর ক্ষেত্রে অতুলনীয় ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।
২২ মে ২০২২, ০৪:৪১ অপরাহ্ন

একাত্তরে রক্তাক্ত চুকনগর

তার নাম রাজকুমারী সুন্দরী দাসী। জীবনে জানতে পারেননি কে তার বাবা, কে মা, কারা আত্মীয় বা কোথায় আছেন স্বজনরা। সুন্দরীর জীবন এলোমেলো করে দিয়েছিল চুকনগরের গণহত্যা। এই গণহত্যায় মাত্র ৬ মাস বয়সী সুন্দরীর জীবন আচমকা সব বন্ধন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
১৯ মে ২০২২, ০৪:১৭ অপরাহ্ন

ডেমরা গণহত্যা: ৫০ বছরেও স্বীকৃতি পাননি ৮ শতাধিক শহীদ

১৯৭১ সালের ১৪ মে। পাবনার ফরিদপুর উপজেলার তৎকালীন দুর্গম গ্রাম ডেমরায় নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।
১৪ মে ২০২২, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ সুবেদার ফয়েজ আহমদ, বীর উত্তম

সুবেদার ফয়েজ আহমদ সিলেটের এমসি কলেজ যুদ্ধে শহীদ হন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ২৯।
১২ মে ২০২২, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: আফতাব আলী, বীর উত্তম ও বীর প্রতীক

মুক্তিযুদ্ধে সুবেদার আফতাব আলী ও তার প্রতিষ্ঠিত আফতাব বাহিনী ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে আতঙ্কের নাম। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের জন্য বীর উত্তম ও বীর প্রতীক- ২টি খেতাবে ভূষিত করা হয় সুবেদার আফতাব আলীকে। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ২৭, বীর প্রতীক খেতাবে তার সনদ নম্বর ৬২।
১১ মে ২০২২, ০২:৪৮ অপরাহ্ন

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ লেফটেন্যান্ট মোহাম্মাদ আনোয়ার হোসেন বীর উত্তম

শহীদ লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে প্রথম বাঙালি শহীদ অফিসার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও আত্মত্যাগের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ২৬।
১০ মে ২০২২, ০৩:২১ অপরাহ্ন