হারাতে বসেছে ভাষা আন্দোলনের সাক্ষী ৫/১ বেচারাম দেউড়ির ইতিহাস
বেচারাম দেউড়ি- নাম শুনলেই এখন নাকে ভেসে আসে হরেক নাম আর স্বাদের বিরিয়ানির ঘ্রাণ। তবে বেচারাম দেউড়ির ৫/১ নম্বর ভবনটি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম নীরব সাক্ষী। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় ভবনটিতে অনেক আলোচনা সভা হয়েছে। ভাষাসংগ্রামী এ কে এম গোলাম মোস্তফা ও গোলাম মর্তুজার এ বাড়িটি ছিল ভাষাসংগ্রামীদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র। ইতিহাসের এই অনন্য স্মারকটির কোনো চিহ্নই এখন আর নেই।
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩: দ্রোহের আগুনে জ্বলেছিল রাজপথ
আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস। ১৯৮৩ সালের এই দিনে মজিদ খানের কুখ্যাত শিক্ষানীতি বাতিলের প্রতিবাদে মিছিল বের হয়। স্বৈরাচার আর স্বৈরশাসনের সাম্প্রদায়িক, গণবিরোধী শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে গর্জে উঠেন শিক্ষার্থীরা।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ এস এম ইমদাদুল হক, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এস এম ইমদাদুল হক ছিলেন অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের চার্লি কোম্পানির অধিনায়ক। সিলেট অঞ্চলে বহু যুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব দেখিয়েছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য নেতৃত্ব, আত্মত্যাগ এবং বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ২৫।
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
ভাষা আন্দোলনের অনন্য সৈনিক নাফিসা কবীর
ভাষাসৈনিক নাফিসা কবীর চলে গেলেন। কিন্তু রেখে গেলেন তার অবিস্মরণীয় অবদান, রেখে গেলেন তার চিন্তা আর ভাবনার প্রসারতা। নাফিসা কবীর ৫২’র ভাষা আন্দোলনে রাজপথে দাঁড়িয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি সুদূর যুক্তরাষ্ট্র থেকে দাঁড়িয়েছেন অসহায় শরণার্থী আর মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে। দেশ স্বাধীনের পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে তিনি শহীদদের স্বজনদের সংগঠিত করেছিলেন।
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন মমতাজ, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে কামালপুর যুদ্ধে শহীদ ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন মমতাজ ছিলেন জেড ফোর্সের প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের চার্লি কোম্পানির কমান্ডার। যুদ্ধের ময়দানে তাকে ডাকা হতো রিয়েল টাইগার নামে। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব, নেতৃত্ব ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ২৩।
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মোহাম্মদ আজিজুর রহমান ছিলেন ৩ নম্বর সেক্টরের আশ্রমবাড়ি সাব সেক্টরের কমান্ডার। পরে এস ফোর্স গঠিত হলে এস ফোর্সের ব্রিগেড মেজর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের জন্য মোহাম্মদ আজিজুর রহমানকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ২৪।
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৩:০৩ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ মাহবুবুর রহমান,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ মাহবুবুর রহমান ছিলেন প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের আলফা কোম্পানির অধিনায়ক। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ২২।
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ আফতাবুল কাদের,বীর উত্তম
ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে শহীদ হন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব, নেতৃত্ব প্রদর্শনের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তর খেতাবে তার সনদ নম্বর ২১।
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০১:১১ অপরাহ্ন
চিরকালের যোদ্ধা জিয়াউদ্দিন তারিক আলী
যখন জাতীয় সংগীত গাইতেন তখন তার চোখ জলে ভরে উঠত। অনেকটা নীরব অশ্রুপাতের মতো। কেন তার চোখ বেয়ে জল গড়াত অনেকেরই সেই কৌতূহল ছিল। একবার অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘কেন আপনি পুরো জাতীয় সংগীতটা গাইতে পারেন না?’ জবাবে বলেছিলেন ‘জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময় আমার চোখের সামনে ভেসে উঠে লাখো মানুষের মৃত্যু, সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর জীবন দেওয়া, আরও কত মানুষের ত্যাগের সেই চিত্র।’
১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৩:২০ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধের সময় মেজর মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ছিলেন প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ২০।
৩১ জানুয়ারি ২০২২, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
জহির রায়হানের শেষ দিনগুলো
বিজয়ের একদিন পর ১৭ ডিসেম্বর ভারত থেকে দেশে ফেরার পর ২৫ জানুয়ারি প্রেস ক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলনে প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও সাহিত্যিক জহির রায়হান বলেছিলেন, বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের পেছনের নীল নকশা উদঘাটনসহ মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বহু নথিপত্র এখন তার হাতে। তিনি শিগগির তা উদঘাটন করবেন।
৩০ জানুয়ারি ২০২২, ০৪:১১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ শাহজাহান ওমর, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মোহাম্মদ শাহজাহান ওমর ছিলেন ৯ নম্বর সেক্টরের টাকি সাব সেক্টরের কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য ত্যাগ ও বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১৮।
৩০ জানুয়ারি ২০২২, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মেহবুবুর রহমান, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে লেফটেন্যান্ট মেহবুবুর রহমান ছিলেন ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে নির্ভয়পুর সাব সেক্টরের কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ১৯।
২৯ জানুয়ারি ২০২২, ১২:২১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ আবদুল গাফফার হালদার,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মোহাম্মদ আবদুল গাফফার হালদার ছিলেন মন্দভাগ সাব সেক্টরের কমান্ডার। পরে তিনি কে ফোর্সের অধীনে চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডার নিযুক্ত হন। মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ নেতৃত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১৭।
২৭ জানুয়ারি ২০২২, ০১:১৮ অপরাহ্ন
রাধা বিনোদ পাল: আজও যে বাঙালিকে কৃতজ্ঞচিত্তে সম্মান জানায় জাপানিরা
কুষ্টিয়ার প্রত্যন্ত শালিমপুর গ্রামের রাধা বিনোদ পালের ভাস্কর্য আজ সদর্পে দাঁড়িয়ে জাপানের কিয়োটো শহরে। কেবল ভাস্কর্যই নয় তার নামে আছে রাস্তা, গড়া হয়েছে জাদুঘর। তার নামে আছে রাজধানী টোকিওতে সুপ্রশস্ত রাজপথ। সম্রাট হিরোহিতো তাকে ভূষিত করেছেন জাপানের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘কোক্কা কুনশোও’ পদকে।
২৬ জানুয়ারি ২০২২, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: এ জে এম আমিনুল হক,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে এ জে এম আমিনুল হক ছিলেন অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ১৩।
২৬ জানুয়ারি ২০২২, ০২:১১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধের সময় ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ছিলেন ১ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১১।
২৪ জানুয়ারি ২০২২, ০২:৪৫ অপরাহ্ন
ঢাকায় নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু
‘নেতাজী’। তিন অক্ষরের এই পদবীটা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের মসনদ কাঁপানোর জন্য যথেষ্ট ছিল। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিৎস উইলিয়াম হল থেকে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে তিনি হয়েছিলেন চতুর্থ অথচ ইংরেজ প্রশাসনের চাকরি করবেন না বলে নিয়োগপত্র পাওয়ার পরই পদত্যাগ করেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু। ফিরে আসেন ভারতে। যোগ দেন স্বাধীনতার সংগ্রামে।
২৩ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: আবু তাহের মোহাম্মদ হায়দার, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে আবু তাহের মোহাম্মদ হায়দার প্রথমে ছিলেন ২ নম্বর সেক্টরের সহ-অধিনায়ক। পরে ২ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হন তিনি। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১৬।
২০ জানুয়ারি ২০২২, ০২:১৫ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: হারুন আহমেদ চৌধুরী, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে হারুন আহমেদ চৌধুরী ছিলেন অগ্রভাগের সৈনিক। তার অসামান্য নেতৃত্বে কাপ্তাই থেকে গড়ে উঠেছিল প্রতিরোধ যুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১৫।
১৯ জানুয়ারি ২০২২, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
হারাতে বসেছে ভাষা আন্দোলনের সাক্ষী ৫/১ বেচারাম দেউড়ির ইতিহাস
বেচারাম দেউড়ি- নাম শুনলেই এখন নাকে ভেসে আসে হরেক নাম আর স্বাদের বিরিয়ানির ঘ্রাণ। তবে বেচারাম দেউড়ির ৫/১ নম্বর ভবনটি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম নীরব সাক্ষী। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় ভবনটিতে অনেক আলোচনা সভা হয়েছে। ভাষাসংগ্রামী এ কে এম গোলাম মোস্তফা ও গোলাম মর্তুজার এ বাড়িটি ছিল ভাষাসংগ্রামীদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র। ইতিহাসের এই অনন্য স্মারকটির কোনো চিহ্নই এখন আর নেই।
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩: দ্রোহের আগুনে জ্বলেছিল রাজপথ
আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস। ১৯৮৩ সালের এই দিনে মজিদ খানের কুখ্যাত শিক্ষানীতি বাতিলের প্রতিবাদে মিছিল বের হয়। স্বৈরাচার আর স্বৈরশাসনের সাম্প্রদায়িক, গণবিরোধী শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে গর্জে উঠেন শিক্ষার্থীরা।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ এস এম ইমদাদুল হক, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এস এম ইমদাদুল হক ছিলেন অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের চার্লি কোম্পানির অধিনায়ক। সিলেট অঞ্চলে বহু যুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব দেখিয়েছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য নেতৃত্ব, আত্মত্যাগ এবং বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ২৫।
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
ভাষা আন্দোলনের অনন্য সৈনিক নাফিসা কবীর
ভাষাসৈনিক নাফিসা কবীর চলে গেলেন। কিন্তু রেখে গেলেন তার অবিস্মরণীয় অবদান, রেখে গেলেন তার চিন্তা আর ভাবনার প্রসারতা। নাফিসা কবীর ৫২’র ভাষা আন্দোলনে রাজপথে দাঁড়িয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি সুদূর যুক্তরাষ্ট্র থেকে দাঁড়িয়েছেন অসহায় শরণার্থী আর মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে। দেশ স্বাধীনের পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে তিনি শহীদদের স্বজনদের সংগঠিত করেছিলেন।
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন মমতাজ, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে কামালপুর যুদ্ধে শহীদ ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন মমতাজ ছিলেন জেড ফোর্সের প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের চার্লি কোম্পানির কমান্ডার। যুদ্ধের ময়দানে তাকে ডাকা হতো রিয়েল টাইগার নামে। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব, নেতৃত্ব ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ২৩।
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মোহাম্মদ আজিজুর রহমান ছিলেন ৩ নম্বর সেক্টরের আশ্রমবাড়ি সাব সেক্টরের কমান্ডার। পরে এস ফোর্স গঠিত হলে এস ফোর্সের ব্রিগেড মেজর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের জন্য মোহাম্মদ আজিজুর রহমানকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ২৪।
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৩:০৩ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ মাহবুবুর রহমান,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ মাহবুবুর রহমান ছিলেন প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের আলফা কোম্পানির অধিনায়ক। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ২২।
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ আফতাবুল কাদের,বীর উত্তম
ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে শহীদ হন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব, নেতৃত্ব প্রদর্শনের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তর খেতাবে তার সনদ নম্বর ২১।
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০১:১১ অপরাহ্ন
চিরকালের যোদ্ধা জিয়াউদ্দিন তারিক আলী
যখন জাতীয় সংগীত গাইতেন তখন তার চোখ জলে ভরে উঠত। অনেকটা নীরব অশ্রুপাতের মতো। কেন তার চোখ বেয়ে জল গড়াত অনেকেরই সেই কৌতূহল ছিল। একবার অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘কেন আপনি পুরো জাতীয় সংগীতটা গাইতে পারেন না?’ জবাবে বলেছিলেন ‘জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময় আমার চোখের সামনে ভেসে উঠে লাখো মানুষের মৃত্যু, সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর জীবন দেওয়া, আরও কত মানুষের ত্যাগের সেই চিত্র।’
১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৩:২০ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধের সময় মেজর মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ছিলেন প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ২০।
৩১ জানুয়ারি ২০২২, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
জহির রায়হানের শেষ দিনগুলো
বিজয়ের একদিন পর ১৭ ডিসেম্বর ভারত থেকে দেশে ফেরার পর ২৫ জানুয়ারি প্রেস ক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলনে প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও সাহিত্যিক জহির রায়হান বলেছিলেন, বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের পেছনের নীল নকশা উদঘাটনসহ মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বহু নথিপত্র এখন তার হাতে। তিনি শিগগির তা উদঘাটন করবেন।
৩০ জানুয়ারি ২০২২, ০৪:১১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ শাহজাহান ওমর, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মোহাম্মদ শাহজাহান ওমর ছিলেন ৯ নম্বর সেক্টরের টাকি সাব সেক্টরের কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য ত্যাগ ও বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১৮।
৩০ জানুয়ারি ২০২২, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মেহবুবুর রহমান, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে লেফটেন্যান্ট মেহবুবুর রহমান ছিলেন ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে নির্ভয়পুর সাব সেক্টরের কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ১৯।
২৯ জানুয়ারি ২০২২, ১২:২১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ আবদুল গাফফার হালদার,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মোহাম্মদ আবদুল গাফফার হালদার ছিলেন মন্দভাগ সাব সেক্টরের কমান্ডার। পরে তিনি কে ফোর্সের অধীনে চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডার নিযুক্ত হন। মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ নেতৃত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১৭।
২৭ জানুয়ারি ২০২২, ০১:১৮ অপরাহ্ন
রাধা বিনোদ পাল: আজও যে বাঙালিকে কৃতজ্ঞচিত্তে সম্মান জানায় জাপানিরা
কুষ্টিয়ার প্রত্যন্ত শালিমপুর গ্রামের রাধা বিনোদ পালের ভাস্কর্য আজ সদর্পে দাঁড়িয়ে জাপানের কিয়োটো শহরে। কেবল ভাস্কর্যই নয় তার নামে আছে রাস্তা, গড়া হয়েছে জাদুঘর। তার নামে আছে রাজধানী টোকিওতে সুপ্রশস্ত রাজপথ। সম্রাট হিরোহিতো তাকে ভূষিত করেছেন জাপানের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘কোক্কা কুনশোও’ পদকে।
২৬ জানুয়ারি ২০২২, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: এ জে এম আমিনুল হক,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে এ জে এম আমিনুল হক ছিলেন অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ১৩।
২৬ জানুয়ারি ২০২২, ০২:১১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধের সময় ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ছিলেন ১ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১১।
২৪ জানুয়ারি ২০২২, ০২:৪৫ অপরাহ্ন
ঢাকায় নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু
‘নেতাজী’। তিন অক্ষরের এই পদবীটা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের মসনদ কাঁপানোর জন্য যথেষ্ট ছিল। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিৎস উইলিয়াম হল থেকে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে তিনি হয়েছিলেন চতুর্থ অথচ ইংরেজ প্রশাসনের চাকরি করবেন না বলে নিয়োগপত্র পাওয়ার পরই পদত্যাগ করেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু। ফিরে আসেন ভারতে। যোগ দেন স্বাধীনতার সংগ্রামে।
২৩ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: আবু তাহের মোহাম্মদ হায়দার, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে আবু তাহের মোহাম্মদ হায়দার প্রথমে ছিলেন ২ নম্বর সেক্টরের সহ-অধিনায়ক। পরে ২ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হন তিনি। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১৬।
২০ জানুয়ারি ২০২২, ০২:১৫ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: হারুন আহমেদ চৌধুরী, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে হারুন আহমেদ চৌধুরী ছিলেন অগ্রভাগের সৈনিক। তার অসামান্য নেতৃত্বে কাপ্তাই থেকে গড়ে উঠেছিল প্রতিরোধ যুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১৫।
১৯ জানুয়ারি ২০২২, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন