সীতাকুণ্ডের বোটানিক্যাল গার্ডেনে উদ্ধার সেই শিশুকে বাঁচানো গেল না
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কে শ্বাসনালী কাটা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া সাত বছর বয়সী শিশুটি মারা গেছে।
আজ মঙ্গলবার ভোররাত দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের নাক-কান-গলা বিভাগের পরামর্শক ডা. সেলিম কাশেম চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।
তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।
গতকাল সকালে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল।
শিশুটির চাচা রমিজ উদ্দিন জানান, গতকাল রাত প্রায় ১০টার দিকে তিনি হাসপাতাল থেকে বের হয়ে আসেন। সে সময় তার ভাতিজির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল।
‘তখন সে ভালোই ছিল...হঠাৎ রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে হঠাৎ তার অবস্থার অবনতি হয় এবং আইসিইউতে সে মারা যায়,’ বলেন তিনি।
রোববার বিকেলে বাড়ি থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে সীতাকুণ্ডে বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের ভেতরে একটি নির্জন পাহাড়ে শিশুটিকে গুরুতর আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। দুর্বৃত্তরা তার শ্বাসনালী কেটে দেয়। স্থানীয় কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন।
পরিবারের সদস্যদের ধারণা, অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তাকে অপহরণ করে ওই নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়েছিল। তাদের মতে, এত দূরে তার একা যেতে পারার কথা না।
তাদের কোনো শত্রুও নেই, জানান পরিবারের সদস্যরা।
এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে রোববারই শিশুটির মা রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে অপহরণ করে হত্যাচেষ্টার মামলা করেছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহী নূর-ই-ইসলাম বলেন, ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৭) পৃথকভাবে তদন্ত করছে।
তবে আজ সকাল পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।