সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ইমিসহ ৩ জন কারাগারে

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাবি

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হল ছাত্র সংসদের সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) ও সবশেষ ডাকসু নির্বাচনে ভিপি প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।

আজ রোববার ওই মামলায় আসামিদের আদালতে হাজির করার পর এ আদেশ দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা।

অন্য দুই আসামি হলেন নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল শাখার সাবেক কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মো. আসিফ আহমেদ সৈকত ও শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখার ছাত্রনেতা আবদুল আল মামুন।

শুনানির সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আশাদুল ইসলাম আসামিদের কারাগারে রাখার আবেদন জানান।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গতকাল শনিবার দুপুর ৩টার দিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কিছু সদস্য শহীদুল্লাহ হলসংলগ্ন মোড়ে জড়ো হয়ে লাউডস্পিকারে ৭ মার্চের ভাষণ বাজায়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আসিফ আহমেদ সৈকতকে আটক করে।

পরে একই দিন রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে আবদুল আল মামুন ও শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ১০–১৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় জাদুঘরের ১ নম্বর গেটের সামনে জড়ো হন।

সে সময় শাহবাগ থানার মসজিদে তারাবির নামাজ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, আসামিরা মসজিদের দিকে মুখ করে লাউডস্পিকারের মাধ্যমে উসকানিমূলক স্লোগান দেন এবং সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা করেন।

তারা পুলিশকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেন এবং পুলিশের হেফাজত থেকে সৈকতকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় ডাকসুর প্রতিনিধি এবি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী মামুন ও ইমিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

ঘটনার পর আজ শাহবাগ থানায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করে পুলিশ।