চট্টগ্রামে মাথায় গুলি নিয়ে লাইফ সাপোর্টে থাকা শিশু রেশমি মারা গেছে
চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার রৌফাবাদ এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে লাইফ সাপোর্টে থাকা ১১ বছরের শিশু রেশমি আক্তার মারা গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তাসলিম উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রেশমি ব্যারিস্টার মিল্কি মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ৭ মে রাত রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে তার মা সখিনা বেগম তাকে পাশের দোকান থেকে পান আনতে পাঠান।
রৌফাবাদ বিহারি কলোনির গলিতে তখন মুখে মাস্ক পরা একদল দুর্বৃত্ত হাসান রাজু (২৪) নামে এক যুবককে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ছিল। ছোট রেশমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই একটি লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলি তার বাঁ চোখ ভেদ করে মাথার ভেতরে ঢুকে যায়।
পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে রেশমি সবার ছোট। তাদের বাবা রিয়াজ আহমেদ পেশায় একজন সবজি বিক্রেতা।
রেশমি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় ৯ মে সকালে রেশমির মা সখিনা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় মামলা করেন।
সেদিনের গুলির ঘটনায় নিহত হন হাসান রাজু। বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে রাজুকে হত্যা করা হয়েছে বা কারা এই মাস্কধারী সন্ত্রাসী, সে বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেনি পুলিশ।
গত ৮ মে রাতে হাসপাতালে রেশমিকে দেখতে যান চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেন, ‘অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করছে।’
