তারাগঞ্জে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যা, আসামির স্বীকারোক্তি
রংপুরের তারাগঞ্জে দ্বিতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি। গতকাল মঙ্গলবার রাতে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার মুজাহিদ ইসলাম (১৯) তারাগঞ্জের আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর কোরানীপাড়া গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
গত সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে ভীমপুর কোরানীপাড়ার বাড়ি থেকে মুজাহিদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মুজাহিদের বক্তব্যের বরাত দিয়ে তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, গত শুক্রবার দুপুরে সানজিদাকে তিস্তা সেচ ক্যানেলের পাশে পাটখেতে ধর্ষণ করেন মুজাহিদ। এরপর তিনি শিশুটিকে গলাটিপে হত্যা করে তার চোখ দুটো নষ্ট করে দেন। মরদেহ পাটখেতে ফেলে রেখে তিনি তার বাড়িতে চলে যান।
ওসি রুহুল আমিন জানান, এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে সন্দেহভাজন হিসেবে প্রথমে মুজাহিদকে আটক করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার আচরণে অসংগতি দেখা দেওয়ায় পুলিশের সন্দেহ বাড়ে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে স্বীকারোক্তি দেন তিনি।
ওসি আরও বলেন, এই মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দ্রুত প্রস্তুত করে আদালতে পাঠানো হবে।
নিহত শিশুর বাবা বলেন, ‘মুজাহিদ আমাদের প্রতিবেশী। আমার মেয়ে তাকে চাচা বলে ডাকত। আমি তার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।’