প্রভাবশালীরা প্রায়শই খালের মাঝে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করে: পানিসম্পদ মন্ত্রী
পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘আজকাল প্রায়শই দেখবেন, খালের মাঝে বাঁধ দিয়ে সেখানে মাছের চাষ করে প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি। এখানেই শেষ না। পাশাপাশি প্রভাবশালী ব্যক্তিরা খালটাকে দখল করে বাড়ি বা মার্কেট করে।’
তিনি বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ সরকারি সম্পত্তি। এটা জনসাধারণের। জনসাধারণের প্রয়োজনে এই খাল খনন কর্মসূচি বৃহৎ আকারে নেওয়া হয়েছে, যাতে মানুষ উপকারভোগী হয়, সুবিধাটা পায়। জনস্বার্থে, জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হিসেবে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই কাজগুলো তার সময়ে শুরু করেছিলেন।’
আজ সোমবার দুপুরে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার চৌক্কার খাল পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার জীবদ্দশায় তীক্ষ্ণ দূরদৃষ্টি থেকে এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। তিনি চিন্তা করেছিলেন, খাল খনন কর্মসূচি থেকে জনগণ কি কি সুবিধা নিতে পারে এবং দিতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘এই যে চৌক্কার খাল, আমরা শুনেছি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই খাল খনন কর্মসূচিতে নিজে এসেছিলেন। স্বেচ্ছাসেবার মাধ্যমে সবাইকে একত্রিত করে কোদাল হাতে নিজে খাল খনন করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, এই খালটা খনন করা হলে, খালের পাড়ে গাছ থাকবে, খালে মাছ চাষ হবে, খালের পার্শ্ববর্তী জমিতে সেচ দিয়ে সেখানে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। মাছের বাজারসহ সব বাজার যাতে স্থিতিশীল থাকে, এসব চিন্তা থেকেই তিনি এই কর্মসূচিতে নেমেছিলেন।’
বিভিন্ন সরকার দীর্ঘদিন খাল খনন কর্মসূচি থেকে বিরত থেকেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যার কারণে আজ সারা দেশে প্রচুর জলাবদ্ধতা। বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা হয়। সেইসঙ্গে খালের মাঝে এতো বর্জ্য থাকে যে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়, নদীতে পানি যেতে পারে না।’
তিনি বলেন, ‘খাল খনন আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল। সরকার গঠনের এক সপ্তাহের মাঝে আমরা কাজে নেমে পড়েছি।’