ভৈরব রেলসেতুতে উঠতে না পেরে ৩ ঘণ্টা আটকে তিতাস কমিউটার, ভোগান্তি

নিজস্ব সংবাদদাতা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা কম থাকায় ভৈরব রেলসেতুতে উঠতে না পেরে ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়াগামী তিতাস কমিউটার ট্রেনটি প্রায় তিন ঘণ্টা আটকে ছিল। পরে নতুন একটি ইঞ্জিন সংযুক্ত করে ট্রেনটি আবার যাত্রা শুরু করে।

আজ শুক্রবার দুপুর ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ট্রেনটি ভৈরব রেলওয়ে জংশন স্টেশনের আউটার এলাকায় আটকে ছিল। এতে শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

ভৈরব রেলওয়ে জংশনের স্টেশনমাস্টার মো. ইউসুফ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা তিতাস কমিউটার ট্রেনটি দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে ভৈরব রেলওয়ে জংশন স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে যাত্রাবিরতি দেয়। প্রায় ২টার দিকে স্টেশন ছেড়ে কিছু দূর এগিয়ে ভৈরব রেলসেতুতে ওঠার আগমুহূর্তে ট্রেনটি থেমে যায়।

তিনি বলেন, কয়েক মিনিট সেখানে দাঁড়িয়ে থাকার পর ট্রেনটি উল্টো পথে ফিরে ভৈরব রেলওয়ে জংশন স্টেশন অতিক্রম করে স্টেশনের আউটার এলাকায় চলে যায়। সেখানে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে আটকে ছিল। বিকেল ৫টার দিকে নতুন একটি ইঞ্জিন যুক্ত করার পর ট্রেনটি ভৈরবের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

‘ট্রেনটির ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা বা স্পিড কম থাকায় সেটি রেলসেতুতে উঠতে পারেনি। তিতাস কমিউটার ট্রেনে অতীতেও একই ধরনের সমস্যা হয়েছিল’, বলেন স্টেশনমাস্টার ইউসুফ।

ট্রেনের যাত্রী জিন্নাত আরা বেগম মুন্নী বলেন, দীর্ঘ সময় ট্রেন আটকে থাকায় যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। দুপুরের খাবারের সময় পেরিয়ে যাওয়ায় ট্রেনে থাকা নারী ও শিশুদের ভোগান্তি আরও বেড়েছে।