বছর ঘুরতে সেই মাহমুদউল্লাহই অধিনায়ক

স্পোর্টস রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঠিক আগের সিরিজে দল থেকে বাদ পড়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কাকতালীয়ভাবে সেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আরেকটি সিরিজে রীতিমতো দলকে নেতৃত্ব দেবেন তিনি। অপ্রত্যাশিতভাবে পাওয়া এই সুযোগকে মাহমুদউল্লাহ দেখছেন স্বপ্ন পূরণের ধাপ হিসেবে।

গেল বছরের মার্চে শ্রীলঙ্কা সফরে গলে প্রথম টেস্ট খেলেছিলেন মাহমুদউল্লাহ। কলম্বোয় দেশের শততম টেস্টের আগে অফ ফর্মের কারণে তাকে দল থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়।  ছিলেন না অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দলেও। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেও হয়ত সাদা পোশাকে নামা হতো না তার। দীর্ঘ পরিসর থেকে সাকিব আল হাসানের বিশ্রামে ডাক মিলে মাহমুদউল্লাহর।

দক্ষিণ আফ্রিকায় দলের বাকিদের ব্যাটিং ব্যর্থতার মাঝে ৬৬ আর ৪৩ রানের দুই ইনিংসে খেলে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দেন। ফিরে পান টেস্ট দলের সহ-অধিনায়কত্ব। সেই সাকিবের চোটেই এবার দেশের দশম অধিনায়ক হিসেবে টস করতে নামবেন মাহমুদউল্লাহ।  দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার ইচ্ছা জানিয়েছিলেন আগেই।  এবার তা পেয়ে শোনালেন স্বপ্ন পূরণের কথা,

‘প্রত্যেক ক্রিকেটারেরই স্বপ্ন থাকে তার দলকে নেতৃত্ব দেওয়া, দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া । সেই দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করলে অবশ্যই।’

Mahmudullah
সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ছবি: ফিরোজ আহমেদ
ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে আঙুলে চোট পেয়ে ছিটকে যান সাকিব আল হাসান। কেবলই অধিনায়ক না, দলের সেরা খেলোয়াড়ও সাকিব। এভাবে তাই দায়িত্বটা পেতে চাননি মাহমুদউল্লাহ, ‘যেভাবে পেয়েছি সেভাবে পেতে চাইনি অবশ্যই। কারণ সাকিব আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়। ওকে লস করা আমাদের দলের জন্য বড় একটা বিপর্যয়ই বলতে হবে।’

ঠাণ্ডা মেজাজের মানুষ হিসেবে সুনাম আছে মাহমুদউল্লাহর। প্রয়োজনে কঠোর হতে হলেও নিজের বৈশিষ্ট্যের উপরই জোর তার,

‘আমার মনে হয় অধিনায়কত্বের বড় একটা কাজ হচ্ছে মাঠের মধ্যে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়। আপনি যদি নিজের উপর কুল থাকতে না পারেন তাহলে সিদ্ধান্তগুলো এদিক-সেদিক হয়ে যেতে পারে। আমি এটা বিশ্বাস করি। আপনি যদি কুল থাকেন তাহলে আপনারে সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে।’