আগামীর প্রধানমন্ত্রীর প্রথম গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ
জাতীয় নির্বাচনে বিশাল জয় পাওয়ায় দল হিসেবে বিএনপি ও নেতা হিসেবে তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন। এটি কেবল একটি নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের বিজয় নয়, বরং বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ।
আমাদের ইতিহাসে সাফল্য যেমন আছে, তেমনি রয়েছে গুরুতর ব্যর্থতাও। এর মধ্যে সবচেয়ে বিধ্বংসী হচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করা এবং সেগুলোকে স্বাধীন ও পেশাদারভাবে কাজ করতে না দেওয়া। দুঃখজনকভাবে, এটি আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশে পরিণত হয়েছে।
অতীতে ক্ষমতাসীন দলগুলো সবসময় সরকারের প্রতিটি শাখাকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেয়েছে। দেশের স্বার্থে নয়, তাদের এই প্রচেষ্টা ছিল দল ও অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত লাভের জন্য। এর ফলে তারা ধনী হয়েছে, আর সাধারণ মানুষ দরিদ্র হয়েছে। তারই পরিণতিতে আজকের বাংলাদেশে সবচেয়ে নির্মম ধনী-দরিদ্র বৈষম্য তৈরি হয়েছে।
আরও বহু ক্ষেত্রের পাশাপাশি প্রশাসন ও বাজেট প্রক্রিয়ায় রাজনীতিকরণ এত গভীরভাবে প্রোথিত যে আগামীর প্রধানমন্ত্রীর সামনে একটি বেশ বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে গেলে তার নিজের দলই সম্ভবত সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে।
বিভিন্ন পর্যায়ের বহু নেতা গত ১৭-১৮ বছর ধরে দলীয় আনুগত্যের কথা উল্লেখ করে পুরস্কার পেতে চাইবেন। তারা ওই সময়ে ভোগান্তিতে ছিলেন, তাদের ব্যবসা ধ্বংস হয়েছে ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। কাজেই তাদের এমন যুক্তি বাস্তব ও আবেগঘন হলেও এর সামনে নতি স্বীকার করা মানেই হবে দুর্নীতি ও অপশাসনের সূচনা, যা আমাদের অতীতের অধিকাংশ সরকারকে গ্রাস করেছে।
জনগণ এটা মেনে নেবে না, স্বাধীন গণমাধ্যমও নয়। ক্ষমতাসীন দলকে মনে রাখতে হবে, সংসদে ৭৭ জন সদস্য নিয়ে যথেষ্ট শক্তিশালী বিরোধীদল রয়েছে। তারা সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এবং দুর্নীতির সামান্যতম ইঙ্গিত পেলেও সেটা প্রকাশ্যে আনতে সংসদীয় প্রতিটি প্রক্রিয়া ব্যবহার করবে। সেটা তাদের করাই উচিত।
এ পর্যন্ত তারেক রহমান যা বলেছেন, তাতে মনে হচ্ছে তিনি এমন কিছু হতে দেবেন না। কিন্তু এটাই হবে তার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে, যা তাকে মোকাবিলা করতেই হবে।
এই সংগ্রামে জয়ী হতে হলে তারেক রহমানকে সঠিক মন্ত্রিসভা নির্বাচন করতে হবে। এর জন্য অবশ্যই দলের প্রতি আনুগত্য ও সেবা গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হবে। কিন্তু কেবল এটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মানদণ্ড হওয়া উচিত না। বরং সততা, নৈতিকতা ও দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। নতুন মন্ত্রিসভা হতে হবে অত্যন্ত যোগ্য, আধুনিক, সিদ্ধান্তগ্রহণে সক্ষম এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে। যদিও আমরা ব্যবস্থাপনার দক্ষতাকে প্রায়শই বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাই না।
তারেক রহমান হয়তো ইতোমধ্যেই তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের বেছে নিয়েছেন। তবে আমরা প্রস্তাব করতে চাই যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি যেন আরও কিছুটা সময় নেন। নিয়মিত প্রক্রিয়ায় শিগগির তিনি ছোট একটি মন্ত্রিসভা নিয়ে শপথ নিতে পারেন, যেখানে থাকবেন সেরারা। বাকি সদস্য বেছে নিতে তিনি সময় নিতে পারেন। এতে করে আগামীর প্রধানমন্ত্রী তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য আরও খানিকটা সময় পাবেন।
এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, নতুন সরকারের সামনে বিশাল কর্মযজ্ঞ। বাংলাদেশ উন্নয়নের এক সংকটময় পর্যায়ে রয়েছে। ভেঙে পড়া প্রতিষ্ঠান, ব্যাপক দুর্নীতি ও সর্বত্র অদক্ষতার প্রেক্ষাপটে আগামী মন্ত্রিসভাকে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর ও দূরদর্শী ভূমিকা রাখতে হবে।
আমলাতন্ত্র, প্রশাসনের বিভিন্ন শাখা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভেতরে তীব্র দলীয়করণ হয়েছে। এ ধরনের প্রবণতার দীর্ঘ ইতিহাস থাকায় অতি দ্রুত এর অবসান ঘটানো প্রায় অসম্ভব। তবে তারেক রহমানের সরকারের একটি সুবিধা থাকতে পারে। বিএনপির ইশতেহার উপস্থাপনের সময় ‘আমার একটি পরিকল্পনা আছে’ বলে তিনি যে ঘোষণা দিয়েছে, সেখান থেকে আমরা আশ্বস্ত হতে পারি—বিএনপি সরকার কাজ করবে, কেবল বুলি আওড়াবে না। পরীক্ষিত ও আস্থাভাজন ব্যক্তিরাই তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবেন। এটি ভালো। তবে তিনি যত ঘনিষ্ঠভাবেই তাদের চিনুন না কেন, তারা যেন সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য যথেষ্ট দক্ষ হন তা নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশে ‘পরিকল্পনা’ ও সেটা ‘বাস্তবায়ন’ যেন দুই ভিন্ন জগতের বিষয়। এটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। নইলে ব্যর্থতার ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যায়।
আমার মতে, সুশাসনের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের নিদারুণ ব্যর্থতার অন্তর্নিহিত কারণ হলো হাতেগোনা কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া ড. ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদ নির্বাচনে ভুল সিদ্ধান্ত। তিনি দুটি বড় ভুল করেছিলেন। প্রথমত ভুল ব্যক্তিদের বেছে নিয়েছেন এবং দ্বিতীয়ত ভুল করার পরও উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেননি। প্রকৃতপক্ষে তিনি তাদের কাজের জন্য কখনো জবাবদিহির আওতায় আনেননি। নিজের সুনাম ধুলো মিশিয়ে দেওয়ার এমন সুযোগ তাদের কেন দিলেন এটা কেবল ড. ইউনূসই বলতে পারবেন। তবে একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনে তার অবদান জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।
হয়তো একটু আগেভাগেই বলা হচ্ছে, কিন্তু আগামীর প্রধানমন্ত্রীকে মনে রাখতে হবে যে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন কোনো দুর্বলতা বা ভুল স্বীকারের প্রতীক নয়। সর্বোচ্চ কর্মদক্ষতা নিশ্চিত করতে একজন প্রধানমন্ত্রীকে সবসময় তার মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। অন্যদিকে, পুনর্গঠনের এমন সম্ভাবনা মন্ত্রীদেরকেও সতর্ক রাখবে এবং তারাও সততার সঙ্গে সর্বোচ্চ কর্মসম্পাদন নিশ্চিত করবে।
মন্ত্রিসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় বিবেচনায় রাখা উচিত। সেগুলো হলো—আনুগত্য, সততা ও দক্ষতা। অতীতে দেখা গেছে, কেবল দলের বা দলীয় প্রধানের প্রতি আনুগত্য বিবেচনায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আনুগত্যের পরেই আসে সততার প্রশ্ন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই শুরু হতে হবে একেবারে উপর থেকে। আমরা সেটাই প্রত্যাশা করি। সেইসঙ্গে আসে মন্ত্রীদের নৈতিকতার বিষয়টি। এই মানদণ্ডে নতুন সরকারকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং সামান্য বিচ্যুতিও সরকারের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হবে। আগামীর প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সবচেয়ে কঠোর বার্তা আসা উচিত দুর্নীতি নিয়ে। শূন্য সহনশীলতা দেখিয়ে কোনো ধরনের দুর্নীতি হলেই কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত। এক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের সাবেক নেতা লি কুয়ান ইউ নাগরিক স্বাধীনতার বিষয়ে না হলেও সৎ ও দক্ষ শাসনে আদর্শ বিবেচিত হতে পারেন।
তৃতীয়ত আসে দক্ষতা বা সক্ষমতার প্রশ্ন। আধুনিক সরকারের একজন মন্ত্রীকে আগের সময়ের তুলনায় অনেক বেশি জ্ঞানসম্পন্ন, দক্ষ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম হতে হবে। রাজনৈতিক প্রজ্ঞা প্রয়োজনীয়। কিন্তু আজকের বিশ্বে কেবল সেটাই যথেষ্ট নয়। তাকে বিভিন্ন মত ও ধারণার প্রতি উদার থাকতে হবে এবং কোনো ভুল হয়ে গেলে তা স্বীকার করে দ্রুত সংশোধন করার মতো বিনয় দেখাতে হবে। একজন মন্ত্রীকে প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার মতো হতে হবে, যেখানে দলের ইশতেহার হবে তার ‘মিশন ও ভিশন’। আধুনিক সময়ে একজন মন্ত্রীর ব্যবস্থাপনায় দক্ষ হতে হবে। আবারও বলা যায়, লি কুয়ান ইউ-এর নেতৃত্বাধীন সিঙ্গাপুর সরকার তাদের বিশ্বস্বীকৃত সাফল্যের মাধ্যমে একটি শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত। আর এই সাফল্যের মূল ভিত্তি ছিল দক্ষ ব্যবস্থাপনা। আমরা প্রায়শই এখানে ব্যর্থ হই, কারণ এ বিষয়ে আমরা যথেষ্ট গুরুত্ব দিই না।
বিএনপির এমন কিছু প্রবীণ নেতা রয়েছেন, যাদেরকে—বিশেষ করে শেখ হাসিনার দমনমূলক শাসনামলের সময় দলের জন্য অবদান রাখায়—পুরস্কৃত করতে হবে। তবে অধিকাংশ মন্ত্রণালয়ে আধুনিক মনোভাবসম্পন্ন তরুণ, প্রতিশ্রুতিশীল, উদ্যমী, দক্ষ ও শিক্ষাগতভাবে যোগ্য ব্যক্তিদের মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিতে পারেন তারেক রহমান। এখানে ঝুঁকি হলো, এমন অনেক তরুণ ও যোগ্য ব্যক্তি হয়তো সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত ও বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গে যথেষ্ট পরিচিত নাও হতে পারেন। অতীতে আমরা দেখেছি, বিদেশ থেকে দেশের সেবা করতে আসা কিছু শিক্ষাবিদ ‘সবজান্তা’ মানসিকতার এক আত্ম অহংকারে ভোগেন এবং স্থানীয় গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের যথাযথ মূল্যায়ন করেন না। এর ফলে বৈশ্বিক ও স্থানীয় শিক্ষাবিদদের মধ্যে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ব্যাহত হয়। অথচ, উভয়েরই একে অপরের কাছ থেকে শেখার রয়েছে।
তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন, ‘আমার একটি পরিকল্পনা আছে’। আমরা ধরে নিচ্ছি, তিনি তার সেই পরিকল্পনা কীভাবে ও কার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করবেন, সে সম্পর্কেও পরিষ্কার ধারণা রাখেন।
এখানেই আমরা কিছু সতর্ক সংকেত দিতে চাই। যখন তিনি পরিকল্পনা করছিলেন, তখন তিনি ছিলেন চিন্তক। এখন বাংলাদেশের জনগণ তাকে ক্ষমতা দিয়েছে। ফলে তিনি এখন ‘বাস্তবায়নকারী’ এবং প্রধান দায়িত্ব তার কাঁধে। চিন্তক ও বাস্তবায়নকারীর বাস্তবতার মধ্যে ফারাকটা বিশাল।
তিনি কীভাবে নতুন এই ভূমিকায় নামবেন?
প্রথমত, অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতা হিসেবে তাকে সব ধরনের প্রলোভন থেকে নিজেকে সংযত রাখতে হবে এবং সত্যিকার অর্থেই বিনয়ী হতে হবে। এটি অত্যন্ত কঠিন। ইতোমধ্যেই দেখতে পাচ্ছি, কী ধরনের প্রশংসা স্তবক তার দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং নিকট ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। দৃঢ় সংকল্প থাকলেও এসব প্রতিরোধ করা অত্যন্ত কঠিন হবে। আমরা আন্তরিকভাবে তার সাফল্য কামনা করি।
দ্বিতীয়ত, তাকে সবসময় মনে রাখতে হবে, ক্ষমতার ক্ষেত্রে তার ওপর কোনো ‘নিয়ন্ত্রণ’ নেই বললেই চলে। এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থা। তার জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক সহকর্মীরা কিছুটা ভূমিকা হয়তো রাখতে পারেন। কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ভিন্ন। ফলে, তিনি ও তার পরিবারই হয়ে উঠতে পারে একমাত্র ‘নিয়ন্ত্রক’, যারা প্রধানমন্ত্রীর প্রায় সীমাহীন ক্ষমতার ওপর কিছুটা সংযম নিশ্চিত করতে পারে। অবশ্যই স্বাধীন ও নীতিবান গণমাধ্যমও এক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু তার জন্য পক্ষপাত না করে গণমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে এবং গুরুত্ব সহকারে সেগুলো গ্রহণ করতে হবে—যার প্রতিশ্রুতি তিনি ইতোমধ্যে দিয়েছেন।
নতুন সরকার যা-ই করুক না কেন, বিএনপির নির্বাচনী স্লোগান ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ সেখানে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় থাকা উচিত। বিএনপির প্রতিটি নেতার মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার মুহূর্ত থেকেই মনে রাখতে হবে যে তারা দলীয় নেতা থেকে ‘জনগণের’ নেতায় রূপান্তরিত হচ্ছেন। তারা শুধু তাদের ভোট দেওয়া মানুষগুলোর প্রতিনিধিত্ব করবেন না, বরং তাদের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া মানুষেরও প্রতিনিধি হবেন। নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ যে দলের বা স্বতন্ত্র প্রার্থীকেই দেশের মানুষ ভোট দিয়ে থাকুক না কেন, মন্ত্রিসভার সদস্যরা দলমত নির্বিশেষে সবার প্রতিনিধিত্ব করবেন।
তারেক রহমান যদি তার প্রতিটি কর্মকাণ্ডে তাদের স্লোগান ‘আমার আগে আমরা, আমাদের আগে দেশ, ক্ষমতার আগে জনতা, সবার আগে বাংলাদেশ’ বাস্তবায়ন করতে পারেন এবং প্রতিটি মন্ত্রীর চেতনা ও কাজের মধ্যে এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেন যে নিজের স্বার্থ কোনোভাবেই যেন জনগণের স্বার্থের ঊর্ধ্বে না ওঠে, তাহলে তার সরকারের সাফল্য নিশ্চিত করতে পারবেন। এর কোনো বিকল্প নেই।
মাহফুজ আনাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দ্য ডেইলি স্টার
ইংরেজি থেকে অনূদিত

