সেই কালো মাটির পিচেই রেকর্ড ওপেনিং জুটি

By ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রথম ওয়ানডে যে উইকেটে খেলা হয়েছিলো, তৃতীয় ম্যাচও হচ্ছে সেখানেও। তবে বাংলাদেশের দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও সাইফ হাসানের ব্যাটিংয়ে সেই ম্যাচের কোন ছাপ থাকল না। বরং দুজন খেললেন পুরোপুরি বিপরীত। দাপুটে ব্যাটিংয়ে শতরানের জুটিতে কিছু রেকর্ডেও নাম উঠে গেছে তাদের।

মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ওপেনিং জুটিতেই ১৭৬ রান তুলেছে বাংলাদেশ। ওয়ানডেতে ৪৫ ইনিংস পর ওপেনিংয়ে দেখা গেল শতরান।

রোস্টন চেজের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে মিড অনে ক্যাচ উঠিয়ে সাইফের বিদায়ে ভাঙে এই জুটি। সাইফ ৭২ বলে ৬টি করে ছক্কা-চারে করেন ৮০। চলতি বছর মাত্র চতুর্থ ওয়ানডেতে খেলার সুযোগ পাওয়া সৌম্য ছিলেন সেঞ্চুরির কাছে, পারেননি এই বাঁহাতি। ৮৬ বলে ৭ চার, ৪ ছক্কায় থামেন ৯১ রান করে। আকিল হোসেনের বলে ছক্কার চেষ্টায় বাউন্ডারি লাইনে বিদায় তার।

এর আগে ২০২৩ সালে সিলেটে লিটন দাস ও তামিম ইকবাল অবিচ্ছিন্ন ১০২ রানের জুটি গড়েছিলেন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। উইকেটের কারণেও তাদের জুটির মূল্য আলাদা।  মিরপুরের মাঠে ১০ বছর পর ওয়ানডে দেখল শতরানের জুটি। শুধু তাই নয়, মিরপুরের ইতিহাসে এটিই ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটির রেকর্ড। ২০১৪ সালের এশিয়া কাপে এনামুল হক বিজয় ও ইমরুল কায়েস গড়েছিলেন ১৫০ রানের জুটি।  মিরপুরে এটি ওয়ানডেতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটি। ২০১২ সালে পাকিস্তানের নাসির জামশেদ ও মোহাম্মদ হাফিজ ২২৪ রানের জুটি গড়েছিলেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডেতেও ওপেনিং জুটির রেকর্ড এটি। ২০১৯ সালে ডাবলিনে তামিম ও সৌম্য গড়েছিলেন ১৪৪ রানের জুটি। এবার সাইফকে নিয়ে সেই জুটি ছাড়িয়ে নতুন তালিকায় শীর্ষে থাকলেন সৌম্য। এছাড়া ওয়ানডেতে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের জুটি। ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে লিটন দাস ও তামিম ইকবালের ২৯২ রানের জুটির পরই থাকছে তা। 

এদিনও উইকেটে শুরুতে কিছুটা টার্ন ও বাউন্স দেখা গিয়েছলো। তবে কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে সাবলীল খেলতে থাকেন দুজন। বড় বড় ছক্কার পাশাপাশি তাদের স্ট্রাইক রোটেশনও ছিলো দেখার মতন।