অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
কেবল স্মৃতিকথা নয়, সময়ের দলিল
স্মৃতিকথা নিয়ে রিভিউ সহজ না। কারণ স্মৃতিকথায় সেই অর্থে কেন্দ্র থাকে না গল্প, উপন্যাসের মতো; পুরোটাই লেখকের জীবনকে কেন্দ্র করে চলে। ফলে অন্য বইয়ের মতো নির্দিষ্ট কোনো কেন্দ্রকে বিন্দু ধরে চিত্র আঁকা যায় না। সেজন্য আমরা ‘রিভিউ’র দিকে না গিয়ে আলোচনা করবো এই স্মৃতিকথার কয়েকটি পয়েন্ট নিয়ে। প্রসঙ্গত আনিসুজ্জামান স্মৃতিকথা লিখেছেন তিনটি: ১. আমার একাত্তর (১৯৯৭) ; ২. কাল নিরবধি (২০০৩) ; ৩. বিপুলা পৃথিবী (২০১৫)। লেখাটি ‘কাল নিরবধি’।
১৫ মে ২০২৩, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
আনিসুজ্জামান ভীষণ চাপা স্বভাবের মানুষ ছিলেন
'আনিসুজ্জামান নেই কিন্তু তার ছাত্রদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগটা আছে। তারা আজও আমাদের অনেক ভালোবাসেন। কারণ আনিসুজ্জামান নিজেই মানুষের আপন ছিলেন। অনেকের প্রিয় মানুষ সঙ্গে বন্ধুবৎসল শিক্ষক । তবে ছিলেন ভীষণ চাপা স্বভাবের। চারপাশের অনেক কিছু দেখতেন, অনেক সহ্য করে বলতেন কম। ভালবাসতো দেশ ও দেশের সাহিত্য সংস্কৃতিকে'
১৪ মে ২০২৩, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন
প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানে প্রত্যাশার বিজয়
পাকিস্তানের সদ্য বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া বিদায়ের আগে আগে দেওয়া এক বক্তৃতায় বলেন, ‘পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ) হাতছাড়া হওয়া সামরিক নয়, ছিল রাজনৈতিক ব্যর্থতা। লড়াইরত সেনার সংখ্যা ৯২ হাজার ছিল না, এ সংখ্যা ছিল মাত্র ৩৪ হাজার। বাকিরা ছিলেন সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের লোকজন।’ এই বক্তৃতার কিছুদিন পরই মুখ খোলেন দেশটির বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো। ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তান হাতছাড়া হওয়াকে রাজনৈতিক নয়, সামরিক ব্যর্থতা বলে দাবি করেন তিনি।
৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন
‘অধ্যাপক আনিসুজ্জামান তার সৃষ্টির মধ্যেই বেঁচে থাকবেন’
অধ্যাপক আনিসুজ্জামান চলে গেলেও তার সৃষ্টি রয়ে গেছে। তার সৃষ্টির মধ্যেই তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন। তার শিক্ষা এবং স্বকীয় চিন্তা-চেতনা বিভিন্ন প্রকাশনার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার আহবান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
১৪ মে ২০২২, ০৪:২১ অপরাহ্ন