১৫ চিনিকলের ১৪টি লোকসানে: শিল্পমন্ত্রী
দেশের সরকারি ১৫টি চিনিকলের মধ্যে ১৪টি লোকসান গুনছে। লাভে রয়েছে মাত্র একটি চিনিকল। আজ রোববার দুপুরে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সরকারি দলের সংসদ সদস্য আলী আজমের প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুয়ামূন এ তথ্য জানান।
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপিত হয়।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে চিনিকলের সংখ্যা ১৫টি। এর মধ্যে একটি চিনিকল (কেরু অ্যান্ড কোং) লাভজনক এবং অলাভজনক চিনিকলের সংখ্যা ১৪টি। ২০২০-২১ মাড়াই মৌসুম থেকে সরকারি সিদ্ধান্তে অলাভজনক ১৪টি চিনিকলের মধ্যে ৬টি চিনিকলের (পঞ্চগড়, সেতাবগঞ্জ, শ্যামপুর, রংপুর, পানা ও কুষ্টিয়া) আখ মাড়াই কার্যক্রম স্থগিত আছে।
জাতীয় পার্টির মুজিবুল হকের প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, সমুদ্রাঞ্চলে অবস্থিত ব্লকগুলো নিজেরা খনন করার পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই। অগভীর এবং গভীর সমুদ্রাঞ্চলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও উৎপাদন কার্যক্রম উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর, অত্যধিক ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ বিধায় উৎপাদন বণ্টন চুক্তির (পিএসসি) আওতায় আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়ে থাকে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, পেট্রোবাংলার আওতাধীন দেশীয় অনুসন্ধান কোম্পানি বাপেক্সের স্থলভাগে সক্ষমতা থাকলেও সমদ্রাঞ্চলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও উৎপাদন বিশেষভাবে প্রযুক্তিনির্ভর ও ব্যয়বহুল হওয়ায় সে সক্ষমতা নেই।
মোজাফফর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী বলেন, বিসিক কর্তৃক ২০০৯ থেকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৭১৫টি বন্ধ শিল্প কারখানা চালু করা হয়েছে।
বিদ্যুতের ২ হাজার ৭০২ কিলোমিটার লাইন মাটির নিচে
বেনজীর আহমদের প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানান, বিদ্যুৎ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সুষ্ঠু ও মানসন্মত বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য দেশের বড় বড় শহর তথা মেট্রোপলিটন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের তার মাটির নিচ দিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ঢাকায় ডিপিডিসি ১ হাজার ২৮৭ কিলোমিটার ও ডেসকো ১ হাজার ৩৬৬ কিলোমিটার, বাবিউবো সিলেটে ৩৮ কিলোমিটার, নেসকো রাজশাহী ও রংপুরে ১১ কিলোমিটারসহ প্রায় ২ হাজার ৭০২ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ লাইন নির্মাণ সম্পন্ন করেছে।